১৩ জানু, ২০১৮

নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মাওলানা সাদ




নিজের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন বিশ্ব তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সাদ। গতকাল শুক্রবার তাবলিগ জামাতের মারকাজ কাকরাইল মসজিদে জুমার নামাজের আগে বয়ান ও নামাজ শেষে দোয়া পরিচালনা করেন তিনি। এ সময় মাওলানা সাদ বলেন, পূর্বে দেওয়া বক্তব্য থেকে তিনি সরে এসেছেন ।
তিনি আরও বলেন, কোনও সময় যদি আমাদের ওলামায়ে কেরাম কোনও কারণে ভুল ধরেন, আমরা মনে করবো ওনারা আমাদের ওপর দয়া করেছেন। ওনারা আমাদের পথ পদর্শক।ওলামায়ে কেরাম যে কথা বলবেন তাতে আমাদের সংশোধন হবে ইনশাল্লাহ। এজন্য ওলামাদের কাছ থেকে আমরা লাভবান হবো। ওনারা কোনও ভুল ধরলে আমরা সংশোধন হবো।
মাওলানা সাদ বলেন, আমাদের কাজ হলো বয়ান করা। বয়ানে অনেক সময় ভুল হয়ে যায়। কোন কথায় যদি দোষ হয়, সে বক্তব্য আমি প্রত্যাহার করছি। এটি আগেও করেছি, এখনও করছি।
শুক্রবার সকাল থেকেই কাকরাইল মসজিদে আসতে থাকেন মাওলানা সাদের অনুসারীরা। তাদের মধ্যে বিদেশি মুসল্লিও ছিলেন।
গত কয়েক বছর যাবৎ মাওলানা সাদের কিছু বয়ান ইসমলাম বিরোধী বলে তার প্রতিবাদ করে আসছে তাবলিগ জামাতের একাংশ, দেওবন্দ, হেফাজত ও কওমিপন্থী আলেমরা। আর এজন্যই তাদের বিরোধিতার মুখে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমায় এবার তিনি অংশ নিতে পারছেন না।
গত ১০ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান মাওলানা সাদ। কিন্তু বিশ্ব ইজতেমায় তার অংশগ্রহণে বাধা দিতে আন্দোলনে নামেন তাবলিগ জামাতের একটি পক্ষ এবং কওমি মাদ্রাসার আলেম ও শিক্ষার্থীরা। ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ড এলাকা ও সেখান থেকে ইজতেমা মাঠে যাওয়ার সব রাস্তায় জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। ওইদিন সকালে বেফাকের সামনে বিক্ষোভ করেন সিনিয়র কওমি আলেমরাও। এ কারণে পুলিশি পাহারায় বিমানবন্দর থেকে কাকরাইল মসজিদে নিয়ে আসা হয় তাকে। বিকাল সাড়ে তিনটায় কাকরাইল মসজিদে পৌঁছান তিনি। এ ঘটনায় বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় টানা সাত ঘণ্টা দুর্ভোগ পোহাতে হয় নগরবাসীকে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: