৫ নভেম্বর, ২০১৭

যশোরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ ঘটনা মামলার চার্জশিট, অভিযুক্ত ৫

যশোর শহরের পুরাতন কসবা ঘোষপাড়ার এক কিশোরী স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ, ধর্ষণ এবং সহায়তার ঘটনায় মামলার চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। ৫ জনকে অভিযুক্ত এবং ৬জনের অব্যাহতি চেয়ে ডিবি পুলিশের এসআই মাসুদ রানা আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলো, সদর উপজেলার বিরামপুর গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে মানিক হোসেন, শহরের আরএস আবাসিক হোটেলের সহকারী ম্যানেজার ও হামিদপুর গ্রামের শামসুদ্দিন মোল্যার ছেলে ফরিদুজ্জামান, একই হোটেলের বয় শার্শা উপজেলার পাকশিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সজিব রায়হান, যশোর শহরের রেলগেট শাহারিয়ার আবাসিক হোটেলের কর্মচারী চাঁচড়া রায়পাড়ার মৃত ইসলাম সরদারের ছেলে ওসমান সরদার, একই হোটেলের কর্মচারী সদর উপজেলার রহমতপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল খাঁর ছেলে আহম্মদ আলী।
এ মামলা থেকে অব্যাহতি চাওয়া আটককৃতরা হলো, তাইজেল ইসলাম, মুন্না হোসেন, আশিকুর রহমান সাগর, শাহরিয়ার হাসনাত, রাসেদুল ইসলাম হৃদয় এবং ইব্রাহিম হোসেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী কিশোরী যশোর শহরের পুরতান কসবা ঘোষপাড়া নানা বাড়ি থেকে খয়েরতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দশম শ্রেনীতে লেখাপড়া করে। যশোর শহরের পৌরপার্কে বন্ধুদের সাথে কম্পিউটার শিখতো। এ কারণে বন্ধুত্ব হয় মুন্না, আশিকুর রহমান, শাহরিয়ার হাসনাত ও রাসেদুলের সাথে। প্রতিদিনের ন্যায় গত ২৪ এপ্রিল বিকেলে ওই কিশোরী পৌরপার্কে বন্ধুদের সাথে কম্পিউটার শিখতে যায়। এরপর আর সে বাসায় ফেরেনি। নানা বাড়ির লোকেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। ডিবি পুলিশ ওই সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে রাতে অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধারসহ ১০ জনকে আটক করে। এসময় ওই ছাত্রী পুলিশকে জানায় বন্ধু তাইজেল বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে প্রথম দিনে যশোরের বিলাসবহুল আবাসিক হোটেল আরএস এবং পরদিন আলোচিত আবাসিক হোটেল শাহারিয়ারে নিয়ে ওই দুইটি হোটেলের কর্মচারীদের সহায়তায় তাইজেল তাকে ধর্ষণ করে।
মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আসামি মানিক হোসেন ওই কিশোরীকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে এবং ভুয়া নাম ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে প্রথম দিনে আবাসিক হোটেল আরএস এবং পরদিন শাহারিয়ারে অবস্থান করে। আর ওই দুইটি হোটেলের কর্মচারীদের সহায়তায় তাকে ধর্ষণ করে। তদন্ত শেষে ৫ জনকে অভিযুক্ত এবং অপর ৬জনের অব্যাহতি চেয়ে আদালতে এ চার্জশিট দেয়া হয়েছে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: