২৫ অক্টোবর, ২০১৭

যশোরের কেশবপুরে বন্যায় নতুন এলাকা প্লাবিত, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

কেশবপুরে গত ক’দিনের ভারী বৃষ্টিতে আবারও বন্যায় নতুন নতুন এলাকা প্ল­াবিত হয়েছে। ভেসে গিয়ে পুকুর, ফসল ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নসহ দেড় হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

ইতোমধ্যে পানিবন্দি লোকজন যশোর-সাতক্ষীরা সড়কসহ বিভিন্ন উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। হরিহর নদের পানি বিপদ সীমার ১৩ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেশবপুর পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। হরিহর নদীর উজানের পানিতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে কাঁচা ঘরবাড়ি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

পৌর এলাকার মধ্যকুল, হাবাসপোল, বাজিতপুর, ভোগতী নরেন্দ্রপুর, আলতাপোল, ভবানিপুর, বালিয়াডাঙ্গা, রামচন্দ্রপুর, ব্যাসডাঙ্গা, সুজাপুর, বেলোকাটী, সাগরদত্তকাটি, বাগডাঙ্গা মনোহরনগর, রাজনগর বাঁকাবর্শি, মাগুরাডাঙ্গা, মহাদেবপুর, ফতেপুর, বিষ্ণুপুর, কুশলদিয়াসহ ১১টি ইউনিয়নে প্রায় দেড় হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তলিয়ে গেছে ৮’শ পুকুর, ৪০ হেক্টরে ফসলি জমি ও ১০ হেক্টর সবজির ক্ষেত।

ধান হাটা, হলুদ হাটা, মাছ হাটা, কাঁচা বাজার, পাঁজিয়া সড়ক এবং কেশবপুর-বড়েঙ্গা সড়ক তলিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এর আগে গত ১৯ জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত বন্যার কারণে ৪০ হাজার পরিবার যশোর-সাতক্ষীরা সড়কসহ ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে হরিহর নদে পানি বেড়েছে। সোমবার নদের বিপদসীমার সোয়া এক ফুট উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ঝিকরগাছা ও মণিরামপুরের পানি হরিহর নদ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় আরও দু-একদিন কেশবপুরের অংশে পানি বাড়তে পারে।

তবে বৃষ্টি না হলে পানি বাড়ার সম্ভাবনা নেই। হরিহর নদ খননসহ নদের দু’পাড়ে বেড়িবাঁধ করা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামী শীত মৌসুমে হরিহর নদের বড়েঙ্গা জিরো পয়েন্ট থেকে মণিরামপুর ব্রিজ পর্যন্ত খননসহ বেড়িবাঁধ করার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: