৯ অক্টোবর, ২০১৭

জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে যশোরে বাড়িতে অভিযান, জঙ্গি’ খাদিজার আত্মসমর্পন (ভিডিও সহ)


যশোরে ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে অবশেষে সন্দেহভাজন জঙ্গি খাদিজা বেরিয়ে এসেছেন। সঙ্গে রয়েছে তিন সন্তান। বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এখন বাড়িটির যে ফ্ল্যাটে ছিল থাকত সেই ভবনে তল্লাশি চালাচ্ছে বোমা নিষ্ক্রয়কারী দল।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমল হুদা বলেন, দুপুর ১২টার দিকে খাদিজা শর্ত দেয় তারা বাবা-মাকে আনা হলে তিনি আত্মসমর্পণ করবেন। সেই অনুযায়ী তাঁর বাবা-মাকে পাবনা থেকে আনা হয়। তাঁদের ওই বাড়িতে হাজির করা হলে বেলা ৩টা ৫ মিনিটে খাদিজা তাঁর তিন সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। তবে তাঁর স্বামী মশিউর রহমানকে পাওয়া যায়নি। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল তল্লাশি চলছে।
অভিযান শেষে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান।
যশোরের শহরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি চারতলা বাড়ি গত রাত থেকে  আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা  শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোড এলাকার ওই বাড়িটি ঘিরে রাখেন তারা।
সোয়াটের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এ পদক্ষেপ নিয়েছেন।
ঘোপ নওয়াপাড়া রোড মসজিদের পেছনের বাড়ির মালিক যশোর জিলা স্কুলের শিক্ষক হায়দার আলী জানান, চারতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার ভাড়াটিয়া মশিউর রহমানের ফ্ল্যাটে জঙ্গি রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তিনি একটি হারবাল কোম্পানিতে চাকরি করেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়ায়।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি কেএম আজমল হুদা জানিয়েছেন, রাত ২টা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকায় অবস্থান নিয়ে বাড়িটি ঘিরে রেখেছেন।  সোয়াট টিম এলে অভিযান শুরু হবে।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইমুর রহমান (ক-সার্কেল) সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সোয়াটের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়। তাদের ধারণা, এ বাড়িতে জঙ্গি অবস্থান করছে। সোমবার ভোর ৫টার দিকে এএসপি মাহবুবের নেতৃত্বে সোয়াটের একটি টিম যশোরে এসে পৌঁছেছে। টিমটি ইতিমধ্যে ওই এলাকা পরিদর্শনও করেছে। যে কোনো সময় অভিযান শুরু হতে পারে।

এদিকে ঘোপ নওয়াপাড়া রোড এলাকায় র‌্যাব-পুলিশ অবস্থান নিয়ে এলাকা ঘিরে রেখেছে। ওই এলাকায় সাংবাদিকসহ কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না র‌্যাব।

জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে যশোরে কবিরাজের বাড়ি ঘেরাও


SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: