৫ অক্টোবর, ২০১৭

যশোরে টেকনোলজি পার্কে চাকরিপ্রার্থীদের জনসমুদ্র: অব্যবস্থাপনার অভিযোগ

বেকারত্বের অভিশাপ ঘুচিয়ে  সোনার হরিণ খ্যাত চাকরির আশায় সকাল থেকে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী ভিড় জমাতে শুরু করে আইসিটি পার্কে। তবে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে প্রশাসনিক কড়াকড়িতে শেষমেষ অধিকাংশ চাকরিপ্রার্থীই পছন্দের প্রতিষ্ঠানে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে পারেনি। বদলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কাছে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন অনেকেই।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা থেকে আসা তিন বান্ধবী সোনিয়া, খাদিজা ও রাবেয়া  বলেন, ভিড়ের কারণে গেটের ভিতরে ঢুকতে পারিনি, পরে পুলিশ সদস্যদের কাছে জমা দিয়েছি। তবে জায়গা পর্যন্ত পৌঁছাবে কিনা জানি না, এতো লোক দেখে চাকরির আশা ছেড়ে দিয়েছি।
সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে আসা আলিম উদ্দিন ও ফজর গাজী বাংলানিউজকে বলেন, টেকনোলজি পার্কের মূল ফটকে প্রবেশ মাত্রই পুলিশ হালকা লাঠিচার্জ শুরু করে, অবশ্য পরে জেনেছি পরিস্থিতি সামাল দিতে এটা করেছে। পরে এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
মেলা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। উপস্থিত ছিলেন, যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, যশোরের জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন, যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান প্রমুখ।
যশোর শেখ হাসিনা টেকনোলজি পার্কের ইনচার্জ প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন  বলেন, চাকরি মেলায় কল্পনাতীত সাঁড়া পেয়েছি, পরিস্থিতি সামলাতে খুবই কষ্ট হয়েছে। তবে এতে চাকরি প্রার্থীদের সমস্যা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে জীবনবৃত্তান্তগুলো দেওয়া হচ্ছে। মূলত, তারা এগুলো বাছাই করে পছন্দের প্রার্থীদের ডেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাংলানিউজকে বলেন, চাকরি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষে যবিপ্রবি,ইবি, খুবি, কুয়েট, এমএম কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো, কিন্তু এতো সংখ্যক উপস্থিতি বাড়বে এটা আমাদের কল্পনার বাইরে ছিলো।
তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ পার্কে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: