১৯ অক্টোবর, ২০১৭

যশোরে হঠাৎ করে ইজিবাইকের ভাড়া দ্বিগুন যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি চরমে

হঠাৎ করে জনসাধারণকে জিম্মি করে ইজিবাইকের ভাড়া দ্বিগুন বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিনিয়ত যাত্রীসাধারণের সাথে ইজিবাইক চালকদের মারপিটসহ নানা ধরনের বচসা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যশোর শহর ও শহরতলী এলাকায় চলাচলরত ইজিবাইকের যাত্রীদের কাছ থেকে এ অভিযোগ উঠে এসেছে।

যশোর সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে কুরবান জানান, মঙ্গলবার সকালে সে কিসমত নওয়াপাড়া রজনী গন্ধ্যা পেট্টোল পাম্পের সামনে দিয়ে একটি ইজিবাইকে উঠে শহরের দড়াটানায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে। ইজিবাইক তাকে নিয়ে শহরের দড়াটানা এলাকায় এসে তাকে নামিয়ে দেয়। কুরবান ভাড়া বাবদ ১০ টাকা দিলে ইজিবাইক চালক আরো টাকা দাবি করে। এ নিয়ে কুরবানের সাথে ইজিবাইক চালকের মধ্যে শুরু হয় বচসা। কুরবান ন্যায্য ভাড়া হিসেবে ১০ টাকার বেশী দিতে নারাজ। আর ইজিবাইকের চালক জনসাধারণকে হঠাৎ করে জিম্মি করে বেশী টাকা পাওয়ার আশায় ছাড়তে নারাজ।

এ ধরনের অভিযোগ করেন, শেখহাটি এলাকার শহিদুলের ছেলে রহিম। সে জানান, তার কাছ থেকেও বেশী হাতে ইজিবাইক চালক টাকা দাবি করায় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

ইজিবাইক চালক কামরুল ইসলাম জানান, যশোর পৌরসভার মধ্যে ইজিবাইক চালাতে হলে তাদের কাছ থেকে লাইসেন্স বাবদ টোকেন নিতে তাদেরকে মোটা অংকের টাকা দিতে হচ্ছে। তাই পৌরসভার অধিক টাকা জনসাধারনের উপর চাপাতে বেশী টাকা দাবি করছে।

এ ব্যাপারে পৌরসভায় খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, পৌরসভার অধীনে যাদেরকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে তারা ইতিপূর্বেও পৌরসভার মধ্যে চলাচল করছে। পৌরসভার লাইলেন্স নেওয়ারপর ভাড়া ৫ টাকা ছিল। এখন তারা ৫ টাকা ভাড়া ১০ টাকা দাবি করছে অধিক মুনাফার আশায়।

যশোর শহরের নীলগঞ্জ এলাকার সুমি নামে এক কলেজ ছাত্রী জানান, মনিহার থেকে দড়াটানা ৫ টাকা ভাড়া নিলেও এখন ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে। না দিলে খারাপ ব্যবহার করছে।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, প্রতিনিয়ত ইজিবাইক চালকেরা হঠাৎ ভাড়া বৃদ্ধি করার কারনে জনসাধারণ পড়েছে দারুণ সমস্যায়। ইজিবাইক চালকেরা ভাড়া বৃদ্ধি করায় প্রতিনিয়ত যাত্রীদের সাথে হাতাহাতির ঘটনা এখন নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দেখা দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত চলাচলরত যাত্রী সাধারণ অবিলম্বে ইজিবাইক চালকদের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: