২ অক্টোবর, ২০১৭

যশোরে ঔষধ ফার্মেসীর প্রতারণার শিকার রোগী

যশোরে জামাই বাড়ির ভিটাবাড়ি সংক্রান্ত গলোযোগে রশিদ মড়লের স্ত্রী নুরজাহান খাতুন(৬০) দূর্বৃত্তদের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম আহত অবস্হায় যশোর ২৫০শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এসময় ঠেকাতে গেলে আহতর মেয়ে রওশন আরা তার স্বামি আবু সাইদ দূর্বত্তদের মারপিটে আহত হয়। আবু সাইদ মনিরামপুর উপজেলার পুড়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। এব্যাপারে পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
ভুক্তভোগির বোন সেলিনা খাতুন বলেন, তার বোন নুরজাহান মেয়ে রওশন আরার বাড়িতে কিছুদিন হয় থাকতেন। আহতর জামাই আবু সাইদের ভিটাবাড়ি নিয়ে একই এলাকার চাচাত ভাই সাহাজদ্দির সাথে দির্ঘদিন গলোযোগ হয়ে আসছিল। এনিয়ে এলাকায় কয়েকবার দেন দরবার হয়। তার জের ধরে শুক্রবার সকালে এলাকার সাহাজদ্দির ছেলে রাশেদ, মেয়ে শিলা, সাহাজদ্দি ও তার স্ত্রী রাশিদা বেগম মিলে আবু সাইদ ও রওশন আরাকে মারপিট করতে থকে এসময় নুরজাহান ঠেকাতে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে কোদাল ও হাসুয়া দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। চিৎকারে স্হানিয়রা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এলাকার লোকজন আহতদের উদ্ধার করে মনিরামপুর স্বাস্হ কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়। পরে নুরজাহান খাতুনের অবস্হা অবনতির করনে শনিবার তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। হাসপাতালে মহিলা সার্জারি বিভাগের ডাক্তার মনিরুজ্জামান লর্ড জানান সে এখনও আশংকামুক্ত নয়।
এদিকে নুরজাহান ভর্তির পর হাসপাতালের সামনে ইউনিক হসপিটাল গলিতে ‘মেসার্স হাজেরা ড্রাগ হাউজ’ নামে ফার্মেসীর পৌষ্য দালালরা তার ঔষধ স্লিপ হাতিয়ে নিয়ে ১৬-শত টাকার ঔষধ ২৫-শত টাকা দাবি করে।এরপর রোববার সকালে আহত নুরজাহানের স্বজন আলামিনকে আটকে রাখে বলে আলামিন দাবি করে। খবর শুনে স্হানিয় বিভিন্ন সংবাদ কর্মি ঘটনা স্হলে পৌছালে তা ১৬-শত টাকায় মিটিয়ে নেয়।
এসময় ওই ডাগ হাউজের সামনে দাড়িয়ে থাকা আরেক জন প্রতারনার শিকার হন। হাসপতাল সার্জারী বিভাগে ভর্তি নড়াইল জেলা সদরের জলিল মোল্যার ছেলে নজরুল মোল্যা(৫৫) তার স্বজনদের একই অভিযোগ তোলেন ১৭/১৮শত টাকার ঔষধ ২৮শত টাকা দেখিয়ে বাকবিতর্কে জড়িয়ে পড়ে।
হাসপাতালে আসা অসহায় হতদরিদ্র রোগিরা মেসার্স হাজেরা ড্রাগ হাউজের দালালদের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে ও অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগিরা উর্ধতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: