৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

যশোরে কমেছে চালের দাম, স্বস্তি ইলিশেও

যশোরের বাজারে চালের দাম আরো কমেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এখন কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। ১ অক্টোবর থেকে ইলিশ বিক্রি ও ধরা নিষিদ্ধের ঘোষণায় বাজারে এখন পর্যাপ্ত ইলিশ রয়েছে। তবে দাম অপরিবর্তিত। অন্যান্য মাছের দাম আগের মত। ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে শাক-সবজি, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ডাল ও ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম। শুক্রবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি হিরা চাল বিক্রি হয় ৪০ টাকা থেকে ৪২ টাকা। আমদানিকৃত স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৪৩ টাকা থেকে ৪৪ টাকা। প্রতি কেজি বিআর-২৮ ও কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা। ৫২ টাকা থেকে ৫৪ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল। ৫৬ টাকা থেকে ৫৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মিনিকেট চাল।
বাজারে সবজির দাম বেশ চড়া। সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁপে। প্রতি কেজি কুমড়া বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা । টমেটো বিক্রি হয় ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুইশাক। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কুশি, ঝিঙে বিক্রি হয় ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা। ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলা। ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয় ১০০ টাকা। ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি ওল বিক্রি হয় ৪০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাঁকরোল। প্রতি কেজি কচুরমুখি বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাধা কপি ও মুলা। প্রতি কেজি করোলা বিক্রি হয় ৬০ টাকা কেজি।
বাজারে পেঁয়াজ- রসুন, আলুর দাম বাড়েনি । প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৪০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা। ২৬ টাকা থেকে ২৮ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত পেঁয়াজ। প্রতি কেজি দেশি রসুন বিক্রি হয় ৮০ টাকা থেকে ১শ’ টাকা। আমদানিকৃত রসুন বিক্রি হয় ৬০ টাকা থেকে ১২০টাকা। প্রতি কেজি। আলু বিক্রি হয় ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মরিচ।
বাজারে প্রতি কেজি দেশি মুসুর ডাল বিক্রি হয় ১০০ টাকা থেকে ১১০টাকা। ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মুসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা। ৩৬ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’১০ টাকা থেকে ১শ’৪০ টাকা। ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা। ৮০ টাকা থেকে ৮২ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭৬ টাকা থেকে ৭৮ টাকা।

এদিকে ১ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। শহরের বড় বাজারে মৎস্য অধিদফতর পক্ষ থেকে প্রচারপত্র বিলি ও ব্যানার টানিয়ে দেয়া হয়েছে। বাজারে এখন পর্যাপ্ত ইলিশ। কারণ শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বিক্রির সময়। অনেকে এ সময়ের মধ্যে আমদানি করা ইলিশ বিক্রি শেষ করবে। আবার অনেকে ফ্রিজআপ করছে। বড় সাইজের ইলিশ মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৮শ’টাকা থেকে সাড়ে ৯শ’টাকা কেজি। ৪শ’টাকা থেকে ৬শ’টাকা কেজি বিক্রি হয় মাঝারি সাইজের ইলিশ। জাটকা ইলিশ মাছ বিক্রি হয় ২৫০ টাকা থেকে ৩শ’টাকা।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: