১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

যশোরে আট মাসে ২৮৫ নারী ও শিশু নির্যাতিত

 যশোরে গত বছরের চেয়ে এ বছর বৃদ্ধি পেয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। চলতি বছরের জানুয়ারি হতে আগস্ট পর্যন্ত ৮ মাসে ২শ’ ৮৫ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর আগের বছর নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে ২শ’ ৯৯টি। বাস্তবে আরও বেশি। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টি সেক্টরাল প্রোগ্রাম যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল (ওসিসি) সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। ‘নারী নির্যাতন আর নয়, কখনও নয়’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সংস্থাটি কাজ করছে। ওসিসি’র প্রোগ্রাম অফিসার ইমরান হাসান জানিয়েছেন, বয়সের ভিত্তিতে ওসিসিতে আগত নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের পরিসংখ্যান নিরূপণ করে তাদের সরকারিভাবে আইনি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে আটমাসে যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে ২শ’ ৮৫ জন নারী ও শিশু। এদের ভেতর ৬৪ জন শিশু। যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। এ বয়সের ১৪ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। অনুরূপভাবে ৭ শিশুকে শারীরিক নির্যাতন, ৩৮ শিশুকে মানসিক নির্যাতন ও অন্যান্য নির্যাতনে ৫ শিশু আহত হয়। বয়স্কদের ভেতর ৩ জন নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শারীরিক নির্যাতনে ১শ’ ৯৬ জন, মানসিক নির্যাতদনে ৮৪ জন, অগ্নিদগ্ধে ২ জন নারী, নির্যাতিন হয়েছেন। গত বছর এ নির্যাতনের সংখ্যা ছিল আরও কম। ওই বছর ২শ’ ৯৯ জন নারী ও শিশু নির্যাতিত হয়েছিল। এর ভেতর ১২ জন শিশু ও ৬ জন বয়স্ক নারী যৌন নির্যাতনের (ধর্ষণ) শিকার হয়। ইমরান হাসান আরও জানিয়েছেন, সরকারিভাবে ওসিসি থেকে সেকল নির্যাতিতদের কাউন্সিলিং করা, সরকারি আইনজীবীর মাধ্যমে আইনি সহায়তা, লিগ্যাল এইডস সহায়তা ও মামলার সহায়তা দেয়া হয়ে থাকে। পরিসংখ্যানে উল্লেখিত সকল নির্যাতিতদের এ ধরনের সরকারি সহায়তা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ পরিসংখ্যানের বাইরে নির্যাতিতদের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ যারা তাদের কাছে সহায়তা নিতে আসেন কেবল তাদের পরিসংখ্যান রাখেন। যারা তাদের কাছে আসেন না তাদের হিসাব রাখা যায় না। তার মতে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোদে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ওয়ান স্টপ আইসিস সেল (সিসি) লোকজনের কাছে তেমন পরিচিত হয়ে উঠতে পারেনি। টোল ফ্রি-১০৯২১ নম্বরে মেসেস কিংবা ফোন করলেই সেবা নেয়া যেতে পারে।
বিএম আসাদ
লোকসমাজ 

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: