৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

যশোরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের পর হত্যার অভিযোগ

যশোরে ঝর্ণা খাতুন (১৩) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের দাবি তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। সে যশোর সদর উপজেলার ঘোড়দাহ গ্রামের লাল বাবুর মেয়ে ও কায়েম খোলা দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ।  মৃতের মা নাজমা বেগম জানিয়েছেন, বুধবার রাতে তার মেয়ে ঝর্ণা খাতুনকে বাড়িতে রেখে প্রতিবেশি মটুকদের বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজে যান। সে সময় নাজমা ওরফে শান্তা নামে এক মহিলা ঝর্ণাকে ফুঁসলিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে স্থানীয় মৃত ঈদ্রিস আলীর ছেলে সাগরের বাড়ি নিয়ে যায়। রাত ১২ টার দিকে সাগর নিজ ঘরে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই মেয়ের চিৎকারে স্থানীয় আনারের ছেলে আকবর ও ওয়াজেদ আলীর ছেলে কালু ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে বাঁচাবার পরিবর্তে তারাও পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তিনজন মিলে ওই মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যাকরে সাগরের বাড়ির পাশের বাশ বাগানে ঝুলিয়ে রাখে। পরিবারের লোকজন ঝর্নাকে খোঁজ করতে থাকে। এ সময় তারা সাগরের বাড়ির পাশের বাশ বাগানে মাদ্রাসা ছাত্রী ঝর্নার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে বৃহস্পতিবার দুপুরে দিকে ঝিকরগাছা থানা পুলিশে তার লাশ উদ্ধার করে শুক্রবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। মৃতের মা নাজমা বেগমের অভিযোগ, সাগর প্রায় সময় ঝর্নাকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো । বুধবার রাতে তারা বাড়িতে না থাকায় টাকার বিনিময়ে নাজমা ওরফে শান্তা তার মেয়েকে সাগরের হাতে তুলে দিয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করেছেন।  ঝিকরগাছা থানা পুলিশের এস আই খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভাব নয় । শুক্রবার সকালে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন ময়না তদন্ত শেষে বলেন প্রাথমিক তদন্তে ধারনা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা মনে হচ্ছে,ধর্ষন কিনা জানার জন্য ভ্যাজাইনা সোয়াব নেওয়া হয়েছে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: