৪ জুন, ২০১৭

পাঁচ লাস্যময়ী তারকা বোনদের জুটি

বোনদের এই জুটিগুলো রীতিমতো নজরকাড়া। কারণ, এঁরা দুর্দান্ত স্টাইলিশ। রেড কার্পেট, এয়ারপোর্ট কিংবা ক্যাজুয়াল হ্যাংআউট, স্টাইল সেন্সে তাক লাগিয়ে দিতে জুড়ি নেই এদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিগুলো দেখলেই তা বোঝা যায়। শুধু সিবলিং নয়, এদের স্টাইল-সিবলিং বললেই বোধহয় মানায় ভাল!

শ্রুতি হাসন—অক্ষরা হাসন
দুই বোনই সুন্দরী। দু’জনেই স্টাইলিশ। কিন্তু শ্রুতি আর অক্ষরার স্টাইল সেন্সে তফাত রয়েছে। গার্লি ড্রেস থেকে বোহেমিয়ান আউটফিট, অক্ষরা সবই পরেন। শ্রুতি কিন্তু গাউন, ড্রেস, লেহঙ্গা বা ক্যাজুয়্যাল পোশাকেই বেশি স্বচ্ছন্দ। শ্রুতির সাজের আরেকটা হাইলাইট তার লম্বা চুল। বেশিরভাগ সময়েই চুল খোলা রাখেন তিনি। অক্ষরার চুল আবার ছোট করে কাটা। এবং সেটাই তার সাজে বাড়তি একটা কিউটনেস যোগ করে। শ্রুতির তুলনায় অক্ষরা সেলফিটাও তোলেন কম। তবে একসঙ্গে ছবি তুললে সেখানে কাকে ছেড়ে কাকে দেখা যায়, সে ব্যাপারে ধন্দে পড়তেই হবে!




বেলা হাদিদ—গিগি হাদিদ
দু’জনেরই ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ছবি আর ভিডিওর কমতি নেই। সেখান থেকেই বোঝা যায়, স্টাইলের তফাতটা। গিগি’র স্টাইল সেন্স তুলনায় একটু বেশি এক্সপেরিমেন্টাল। কালো, সাদা, গ্রে, লাল, গাঢ় নীল— এই রংগুলো দুই বোনেরই বেশ প্রিয়। একসঙ্গে ম্যাগাজিনের কভারের জন্যও পোজ দিয়েছেন। এমনিতেই এরা বোন কম, বিএফএফ বেশি। একসঙ্গে টাকো খাওয়া থেকে একে অপরকে জিভ ভেঙানো, ছবিগুলো দেখলেই বোঝা যায় বেলা আর গিগি’র কতটা ভাব। মডেলিংয়ের কেরিয়ারেও একে অপরকে ভরপুর সাপোর্ট জুগিয়েছেন বরাবর।

কেন্ডেল জেনার—কাইলি জেনার
এরা রিয়্যালিটি স্টার। মডেল। ডিজাইনার। অন্য ডিজাইনারদের মিউজ। কেন্ডেল আর কাইলির স্টাইল সেন্স মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতোই। যদিও দু’জনের সাজগোজের ধরনে বেশ তফাত রয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে কেন্ডেল জানিয়েছিলেন, তার স্টাইল সেন্স হল ‘সিম্পল, ক্লিন অ্যান্ড টেলর্ড’। কাইলি কিন্তু সাফ বলে দিয়েছিলেন যখন যা পরতে ইচ্ছে হয়, পরে ফেলেন। তবে তার ছবি দেখলেই বোঝা যায়, যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার মেজাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই পোশাক বাছেন। দু’জনের স্টাইল আইকনও আলাদা। কেন্ডেলের স্টাইল আইকন, অড্রি হেপবার্ন। আর কাইলির ক্রিস জেনার। এত তফাত সত্ত্বেও ২০১৬ সালে হাত মিলিয়ে ডিজাইনার লেবেল খুলেছিলেন দুই বোন। পোশাক, ফুটওয়্যার এবং কাস্টমাইজ্‌ড হ্যান্ডব্যাগ, সবেরই চাহিদা বেশ ভাল। একটা বিষয়ে কিন্তু কাইলি আর কেন্ডেলের মিলও রয়েছে, সব ধরনের পোশাক পরতে পছন্দ করেন তাঁরা।




কারিশমা কাপুর—কারিনা কাপুর
কোঁকড়া চুল অদ্ভুত শেপে কাটা, চড়া রঙের পোশাক এবং সরু গলায় আধো-আধো উচ্চারণে অভিনয়— নব্বইয়ের দশকের সেই কারিশমা কাপুরকে এখনকার কারিশমা নির্ঘাত ‘ডিজওন’ করবেন। এখন করিশ্মা রীতিমতো ফ্যাশনিস্তা। প্রমাণ চান? একবার উঁকি মারুন তার ইনস্টাগ্রামে। বয়স, চেহারা আর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানিয়ে সাজতে তার জুড়ি নেই। একরঙা পোশাক হোক কিংবা মাল্টিকালার, কারিশমাকে মানিয়ে যাবেই। তার বোনের অবশ্য ইনস্টাগ্রামেরও দরকার হয় না। সাজেও যে তিনি বেগম, এমনিতেই সকলে তা জানেন। বিশেষ করে বিয়ের পর থেকে কারিনার হাবভাবে এমন একটা আভিজাত্য এসেছে, যে যা-ই তিনি পরেন— স্কার্ট-টপ হোক, গাউন কিংবা ট্রেঞ্চকোট ড্রেস— রাজকীয় লাগে। আর কারিনার প্রেগন্যান্সি-ফ্যাশনের কথা তো সর্বজনবিদিত! সব্যসাচীর লেহঙ্গা থেকে স্লিট ড্রেস— সব পরেছেন প্রেগন্যান্সির সময়। বেবি বাম্প ফ্লন্ট করেছেন সগর্বে। স্টাইল সেন্স অতএব দুই বোনেরই তুখড়। কারিশমা-কারিনা আবার একে অপরের প্রিয় শপিং পার্টনারও! লন্ডনে চুটিয়ে শপি‌ং সেরেছেন দুই বোন। দিনকয়েক আগে ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে কারিশমাই জানিয়েছেন কথাটা।

সোনম কাপুর —রিয়া কাপুর
সোনম কাপুর যে বলিউডের ঘোষিত ফ্যাশনিস্তা, সে তো জানা খবর। কিন্তু তাঁর স্টাইলিংয়ের পিছনে কার হাতের জাদু, জানেন কি? বোন রিয়া কাপুরের। রিয়ার মতে, ফ্যাশন সব সময়ই একটা গল্প বলে। আর সোনমকে কীভাবে সাজালে আরও চোখধাঁধানো দেখাবে, সেই সিক্রেট রিয়ারই মগজে বন্দি। সোনমকে সাজাতে গিয়ে মাঝে মাঝেই ঝগড়া বেধে যায় দুই বোনের। কিন্তু এতদিন ধরে একসঙ্গে কাজ করছেন বলে বোঝাপড়াটা বেশ গভীর। রিয়া নিজে অবশ্য তুলনায় সাদামাঠা সাজেন। রিয়ার ইনস্টাগ্রামেও নিজের এখনকার ছবির চেয়ে থ্রোব্যাক ছবি এবং সোনমের ছবিই বেশি। রিয়া হয়তো সাজের বদলে কাজের মাধ্যমেই নিজের স্টাইল সেন্সকে তুলে ধরতে চান সকলের সামনে। তবে একটা ব্যাপারে দুই বোনের ভারী মিল। দু’জনেই বাড়ির পোশাকে থাকতে পারলে বর্তে যান!


SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: