৪ জুন, ২০১৭

অভিনেতা হওয়ার আগে এইসব কাজই করতেন তারকারা!



সাফল্যের শর্টকার্ট হয় না এ প্রচলিত কথা কারও অজানা নয় বললেই চলে৷ যদি সঠিক পথে এগিয়ে গিয়ে সাফল্যকে ছুঁয়ে দেখতে চেনা তাহলে না থেমে কাজ করে যান৷ দেওয়ার চেষ্টা করুন নিজের ১০০শতাংশ৷ অনেকেই বলেন কাজ ছোট-বড় হয় না৷ কিন্তু সেই কাজ মন-প্রাণ দিয়ে না করলে তা আপনাকে সাফল্যের শইখরে কখনোই পৌঁছে দিতে পারবে না৷ আপনার পরিশ্রমই আপনাকে আরও অনুপ্রেণা দেবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য৷
কারণ বেশিরভাগ সাফল্যের পেছনেই আমরা দেখেছি রয়েছে দারিদ্র বা কষ্টের এক ইতিহাস৷ আর সেই ইতিহাসের খোণজে বেশিদূর যেতে হবে না৷ একবার বলি-পাড়ায় চোখ রাখলেই টের পাবেন তা৷ অমিতাভ বচ্চন থেকে রজনীকান্ত, অক্ষয় কুমার থেকে জনি লিভার কে নেই তালিকায়৷ সেরকমই কিছু জানা অজানা তথ্য রইল নিচে…
জানেন কি?
বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন কোলকাতার শিপিং কোম্পানিতে কাজ করতেন৷ কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে আসার আগে তাঁকে অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছিল৷ এমনকি কসমেটিক আইটেম বিক্রি করতে গিয়ে সেলসম্যানের কাজও করতে হয়েছে তাঁকে৷
শাহরুখ খান বলিউডে বাদশাহ হয়ে ওঠার আগে অনেক কষ্ট করেছেন৷ বিভিন্ন পার্টিতে সহায়ক হিসেবেও নাকি কাজ করতে হয়েছিল তাঁকে৷ শোনা যায়, জনপ্রিয় গজলশিল্পী পঙ্কজ উদাসের গানের আসরেও তিনি সহায়কের কাজ করেছিলেন যেখানে তাঁর স্যালারি ছিল ৫০টাকা!
নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি৷ ৫ বা ১০ বছর নয়৷ ২০বছরের দীর্ঘ পরিশ্রম আজ তাকে এই স্থান এনে দিয়েছে৷ স্ট্রাগল পিরিয়ডে তিনি কেমিস্টের কাজ করতেন৷ দিল্লিতে ওয়াচম্যানের কাজও করতে হয়েছে এই বলিউডি অভিনেতাকে৷
জনি লিভারের মতো প্রতিভাবান কমেডিয়ান বলিউড খুব কমই পেয়েছে৷ এই তারকাকেও কিন্তু ছবির জগতে আসার আগে রাস্তায় পেন বিক্রি করে দিনযাপন করতে হয়েছে একসময়৷
অভিনয় জগতে বহু বছর পার করে এখন জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত খিলাড়ি অক্ষয় কুমারও একসময় কষ্টের মুখ দেখেছিলেন৷ ব্যাংককে হোটে কাজ করা থেকে কুন্দনের গয়না বিক্রি করার মতো কাজও করতে হয়েছে রুপোলি দুনিয়ায় পা রাখার আগে৷
বোমান ইরানি, বলিউডের এক দুঁদে অভিনেতাকে কিন্তু একসময় হোটেলে ওয়েটারের কাজ করতে হয়েছিল দীর্ঘদিন৷
জানেন কি এভারগ্রিন অ্যাকটর দেব আনন্দ একসময় কেরানির কাজ করতেন৷
বর্তমানে কমেডি কিং কপিল শর্মাও এই পেশাতে পা রাখার আগে পিসিও-তে কাজ করতেন, তা জানতেন কি?
আর এই তালিকায় দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্তের কথা না বললেই নয়৷ এই থালাইভা দীর্ঘদিন বাসের কনডাক্টরের কাজ করেছেন বেঙ্গালুরুতে৷
আশ্চর্য হলেন, কিন্তু এসবই সত্যি৷ কঠোর বাস্তবের মুখোমুখ হয়েই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা৷ আর তার ফলাফল সকলের সামনে৷ তাই পরিশ্রমই সাফল্যে শেষ কথা৷ শর্টকাট নয়৷

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: