৫ মে, ২০১৭

অবশেষে দক্ষিণ এশীয় স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ




অবশেষে বহুপ্রতীক্ষিত দক্ষিণ এশীয় স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৫৭ মিনিটে শ্রীহারকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। ২৩৫ কোটি রুপির স্যাটেলাইটটির ওজন ২২৩০ কেজি।

এ স্যাটেলাইটের নাম দেয়া হয়েছে ‘জিএসএটি-০৯’। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (আইএসআরও) এটি তৈরি করেছে। এ স্যাটেলাইট দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে ঘনিষ্ঠ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উৎক্ষেপণের পর এর পেছনে যেসব বৈজ্ঞানিক নিরলস পরিশ্রম করেছেন তাদেরকে এক টুইট বার্তায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, ‘তারা আমাদের গর্ব।’

বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এর মধ্যদিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মহাকাশ ও টেলিযোগাযোগ খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো । মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পর দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশের শীর্ষ নেতারা তাদের নিজ নিজ দেশ থেকে একটি ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে যোগ দেবেন।
স্যাটেলাইটটি নির্মাণে তিন বছর সময় লেগেছে। এই স্যাটেলাইট দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে টেলিযোগাযোগ, টেলি-মেডিসিন, টেলি-এডুকেশন এবং অন্যান্যের খাতে দ্রুত সেবা প্রদানে অবদান রাখবে। তথ্য উপাত্ত প্রদানের মাধ্যমে স্যাটেলাইটটি পানি সংরক্ষণ উদ্যোগ, আবহাওয়া বার্তা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সতর্ক বার্তা পাঠাতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পরে সার্ক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ঘোষণা দেন এবং সার্কের অন্য সাতটি দেশকে বিনা অর্থে এর সুবিধা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। ভারতের এ স্যাটেলাইট বানানোর জন্য বিজ্ঞানী এবং অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভারত তাদের সহযোগিতা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে পাকিস্তান এই ইস্যুতে সরে দাঁড়ালে এটি সার্ক স্যাটেলাইটের বদলে দক্ষিণ এশিয়া স্যাটেলাইট হিসেবে নামকরণ করা হয়।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: