২৩ মে, ২০১৭

৮০ হাজার কোটি টাকায় কাতারের বিস্ময়কর স্টেডিয়াম


৮০ হাজার কোটি টাকায় কাতারের বিস্ময়কর স্টেডিয়াম


তেল সমৃদ্ধ দেশ কাতার। জিডিপির বিচারে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশটির নাম হলো কাতার। মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশেই অনুষ্ঠিত হবে ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ।

বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে সাধারণ শীতপ্রধান দেশে। বিশ্বকাপের দলগুলো গরম তাপমাত্রায় মোটেও অভ্যস্ত নয়। তাই কাতারকে অনেকেই পছন্দ করেনি। তবে এমন গরম দেশেও যে বিশ্বকাপ হতে পারে সেটা দেখিয়ে দিচ্ছে কাতার।

বিশ্বকাপে বাকি আরো প্রায় ৫ বছর। অথচ এরই মধ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন অনেকটাই এগিয়ে এনেছে দেশটি। বিশ্ব জুড়ে একের পর এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে আয়োজক কাতার।

২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের ঢাকে কাঠি পড়ার আগেই ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠ সম্পূর্নভাবে সাজিয়ে তুলল কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টিডিয়ামকে বিশ্বকাপের জন্য সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত স্টেডিয়ামে পরিণত করলেন কাতারের ফুটবল কর্তারা।

এটিই বিশ্বের প্রথম ফুটবল স্টেডিয়াম যা সম্পূর্ণ ভাবে শীতনিয়ন্ত্রিত। কার্যত খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টিডিয়াম ফুটবল বিশ্বে হইচই ফেলে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক ঝটিকা সফরে এই স্টেডিয়ামকে এক কথায় অসাধারণ বলে ব্যাখ্যা করেন বার্সেলোনার অন্যতম তারকা ফুটবলার জাভি হার্নান্ডেজ।

আরও একবার খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যোগ্য আয়োজকদের হাতেই বিশ্বকাপের দায়িত্ব দিয়েছে ফিফা। বিশ্বকাপ  আয়োজক কমিটির সিনিয়র প্রধান নাসির আল-কাতের বলেন, ‘আমাদের হৃদয়ের বড়ই কাছে এই স্টেডিয়াম। স্বভাবতই আজ আমরা খুশি যে খালিফাকে আমরা তৈরি করতে পেরেছি।’

১৯৭৬ সালে কাতার সরকার ও কাতার ফুটবল অ্যাসোশিয়েসানের যৌথ উদ্যেগে তৈরি হয় এই স্টেডিয়ামটি। ২০২২ বিশ্বকাপের শুধু ফাইনালই নয়, ৪০ হাজার দর্শকাসন বিশিষ্ট এই স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালেরও বেশ কিছু ম্যাচ আয়োজন করা হবে।

খালিফা স্টেডিয়ামের মূল রূপকার কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘানি বলেন, ‘এটিই প্রথম কোনও স্টেডিয়াম যেখানে খোলা আকাশের তলায়ও এয়ারকন্ডিশন কাজ করবে।’

নতুন প্রযুক্তির আমদানি করে এই স্টেডিয়ামটিকে সাজাতে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করেছে কাতার, বাংলাদেশি মূদ্রায় যা ৮০ হাজার কোটি টাকা। 

কাতারের অর্থমন্ত্রী আলি সারেফ আল ইমাদি ফেব্রুয়ারিতেই জানিয়েছিলেন স্টেডিয়াম কে বিশ্বকাপের জন্য তৈরি করতে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করতে হচ্ছে তাঁদের।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: