১৫ এপ্রিল, ২০১৭

যুদ্ধ' যেকোনো সময়! প্রস্তুত উত্তর কোরিয়া









উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেকোনো সময় যুদ্ধ লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পিয়ংইয়ংয়ের মিত্র চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এ ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, যুদ্ধ লেগে গেলে তাতে কেউই জিতবে না। মূলত উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তাগুলো থেকেই যুদ্ধের ইঙ্গিত পাচ্ছে চীন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, কোরীয় উপত্যকায় আরেকটি পরমাণু পরীক্ষার প্রস্তুতির জের ধরে কঠোর অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রসহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

এর আগে জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে তারা একাই ব্যবস্থা নিতে সক্ষম। সর্বশেষ পরমাণু পরীক্ষার প্রস্তুতিতে নৌবাহিনীর জাহাজ কোরীয় উপত্যকায় অবস্থান নেয়ার পর সোচ্চার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আর তারই জের ধরে ওই অঞ্চলে এখন যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখছে চীন, যে দেশটি দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়াকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

ওয়াং ই বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। মনে হচ্ছে, যেকোনো সময় একটা সংঘাত দেখা দেবে’।

তিনি উত্তেজনাকর ও উস্কানিমূলক হুমকি দেয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

এদিকে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইট বার্তায় বলেছেন, উত্তরা কোরিয়ার বিরুদ্ধে একা ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্র ভীত নয়।

তিনি বলেন, ‘চীন সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নিলে ভালো। নইলে তাদের ছাড়াই আমরা সমস্যার সমাধান করবো’।

ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন হচ্ছে কারণ তারা ভাবছে, উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রে পরমাণু হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করছে। 

এদিকে, চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পটভূমিতে ধারণা করা হচ্ছে, আজ (শনিবার) ষষ্ঠবারের মতো পরমাণু বোমা বা আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে পারে উত্তর কোরিয়া।

তবে উত্তর কোরিয়ার সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যাং সং বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন উত্তর কোরিয়ার প্রতি আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখাচ্ছে।

তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, উত্তর কোরিয়া দুই বছর আগেই সামরিক কৌশলে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র অথবা দক্ষিণ কোরিয়ার যেকোনো হামলা ঠেকাতে তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে। 

হ্যাং সং বলেন, ‘আমাদের হাতে রয়েছে শক্তিশালী পারমাণবিক বোমা। আমাদের এ অস্ত্র অবশ্যই মার্কিন হামলার মুখে মজুদ রাখা হবে না। এসব অস্ত্র অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ব্যবহার করা হবে। যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবেলায় আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্র মজুদ এবং এর গুণগত মান ঠিক রাখতে সব সময় বদ্ধ পরিকর। - 

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: