২১ মার্চ, ২০১৭

রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন আইএসের যৌনদাসী

ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের নারী নাদিয়া মুরাদ। জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) যোদ্ধারা তাঁকে অপহরণ করে। এরপর তাঁকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি মুক্তি পেয়ে ইরাকি সরকার ও জাতিসংঘের কাছে আইএস যোদ্ধাদের বিচারের দাবি করেছেন তিনি।
স্থানীয় সময় রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন নাদিয়া। এ সময় সেখানে ছিলেন তাঁর আইনজীবী আমাল ক্লুনি।
নাদিয়া বলেন, ২০১৪ সালে ৩ আগস্ট আইএস যোদ্ধারা ইরাকের কুর্দিস্তানে অবস্থিত সিনজার গ্রামে হামলা করে। ওই দিন প্রায় ছয় হাজার ৫০০ ইয়াজিদি নারী ও শিশুকে অপহরণ করা হয়। একদিনেই প্রায় পাঁচ হাজার জনকে হত্যা করে তারা। আইএস সদস্যরা অপহরণ করা নারীদের পরিবার থেকে আলাদা রাখে। এ সময় তাদের পরিবারের অনেক সদস্যকেই হত্যা করা হয়। নিখোঁজ হয় অনেকেই।
মাসহ নাদিয়ার ছয় ভাইকেও আইএস যোদ্ধারা হত্যা করে। এরপর অন্য অবিবাহিত নারীদের সঙ্গে তাঁকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে সাক্ষাৎকারে জানান নাদিয়া।
আইএস সদস্যদের বিচার চেয়ে নাদিয়া বলেন, ‘এখন সময় হয়েছে আমাদের প্রজন্মের ওপর এই জঘন্য অপরাধের জন্য আইএস সদস্যদের বিচারের আওতায় আনা।’
এর আগে ২০১৫ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে নাদিয়া জানান, পালানোর চেষ্টার কারণে তাঁকে গণধর্ষণ করে আইএস সদস্যরা। তিনি জানান, ইসলাম ধর্মের অনুসারী না বলেই ইয়াজিদি নারীদের ধর্ষণ করা যাবে বলে মনে করেন আইএস সদস্যরা।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: