২১ মার্চ, ২০১৭

উদ্বোধনের দ্বারপ্রান্তে যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়ার পার্ক

উদ্বোধনের দ্বারপ্রান্তে যশোরে নির্মিত শেখ হাসিনা সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক। রোববার বিকেলে সফটওয়ার পার্কের কাজ পরিদর্শন করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক একথা জানান।
যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় নির্মাণাধীন শেখ হাসিনা সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক অডিটোরিয়ামে প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে শেখ হাসিনা সফটওয়ার টেকনোলজি পার্কের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এরপর উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  কাছে আবেদন করা হবে।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শেখ হাসিনা সফটওয়ার পার্ক আগামী ৩০জুনের মধ্যে পুরোপুরি আইটি শিল্পের জন্য প্রস্তুত হবে। এই পার্কটিতে দশ হাজার আইটি প্রফেশনাল তরুণ-তরুণী কাজের সুযোগ পাবেন। এজন্য আইটি প্রফেশনালদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে লার্নিং এন্ড আর্নিং প্রশিক্ষণ ও মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, যারা পার্কের জায়গা বরাদ্দ নিয়েছেন তাদেরকে জুনের মধ্যে অফিসের কাজ শুরু করতে হবে। কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিল করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে যশোরে নির্মাণ করা হয়েছে সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক। এটি চালু হলে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ‘আইটি হাব’ হিসেবে গড়ে উঠবে যশোর।
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে। আর ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হবে বাংলাদেশ। আইসিটি খাত থেকে পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। বর্তমানে দেশে ২৮টি আইটি পার্ক বা হাইটেক পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়াও  যুব সমাজকে আইটি প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতটি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে।
পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সাত্তার, এটুআই প্রকল্পের যুগ্ম সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন, যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর প্রমুখ।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: