১৫ ফেব, ২০১৭

কোনো দলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে না: নতুন সিইসি



কোনো দলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে না: নতুন সিইসি


সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আপসহীন থাকার কথা জানিয়েছেন নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। এছাড়াও সংবিধান ও আইন-কানুন মেনে দায়িত্ব পালন করবেন জানিয়ে কে এম নূরুল হুদা বলেন, এখন থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনের সম্পর্ক থাকবে না।

বুধবার রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে শপথ নেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে কে এম নুরুল হুদা এসব কথা বলেন।

সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের কাজে সরকারের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ নেই। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবেই কাজ করবে। সকল রাজনৈতিক দলের যাতে আস্থা অর্জন করা যায়, সেভাবেই নির্বাচন কমিশন কাজ করবে।'

সুষ্ঠু নির্বাচন করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, 'এজন্য কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। আমাদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা। এজন্য সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে যে ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন তাই গ্রহণ করা হবে। নির্বাচনের সময় কেউ যদি কোনো ধরনের প্রভাব বা অনিয়ম করার চেষ্টা করে তাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। কাউকে এ ধরনের কাজ করতে দেওয়া হবে না।'

সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে কারও সঙ্গে ইসি সংলাপ করবে কি না?-এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'সিইসি হিসেবে আমার প্রথম কাজ হচ্ছে কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা করে কর্মপরিকল্পনা করা। অন্য রাজনৈতিক অথবা সুশীল সমাজের কারো সাথে আলোচনা করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত সহকর্মীদের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া হবে।'

অতীতে নিজের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করে সিইসি বলেন, 'কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এর আগে নির্বাচনের কোনো দায়িত্বেও ছিলাম না।'

এছাড়া বিএনপি সরকারবিরোধী আমলাদের সংগঠন 'জনতার মঞ্চের' সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।

সিইসি বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান কাজে লাগাব এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দক্ষতা ব্যবহার করব। এ জন্য সরকার, সব রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, সংবাদমাধ্যম এবং জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করব।'

এর আগে বেলা তিনটা থেকে সোয়া তিনটা পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে পর্যায়ক্রমে শপথ নেন নতুন সিইসি ও অন্য চার কমিশনার। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহা তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির প্রস্তাবের আলোকে গত ৬ ফেব্রুয়ারি নতুন ইসি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: