৬ ফেব, ২০১৭

প্রধান নির্বাচন কমিশনার

কে এম নুরুল হুদা

২০০৬ সালে অবসরে যাওয়া নুরুল হুদা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে পাচ্ছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ কবিতা খানম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদৎ হোসেন চৌধুরীকে।

নুরুল হুদা ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সরকারি কর্মকমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ওই বছরের ৩০ জুলাই প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেন। কে এম নুরুল হুদা চাকরিজীবনে ফরিদপুর ও কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ছাড়াও কিছু মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। কুমিল্লার জেলা প্রশাসক থাকার সময়ে বিএনপি সরকার নিয়োগকৃত ডিসি হিসাবে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেরুয়ারি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনের ১২ জুলাই নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি ১৯৮৫ সালে উপজেলা নির্বাচন ও ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনেও নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন।
 
২০০১ সালের ২৪ জুলাই বিএনপি ক্ষমতায় এসে তাকে অন্যান্য কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়। সর্বোচ্চ আদালত অবশ্য বিএনপি সরকারের ওই আদেশ বেআইনি ঘোষণা করেন। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি ভূতাপেক্ষা পদোন্নতি পেয়ে সচিব হন এবং সকল ধরনের আর্থিক সুযোগ সুবিধা লাভ করেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ মিউনিসিপাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।



নতুন ইসি নিয়োগে সার্চ কমিটির ১০টি নামের সুপারিশ থেকে পাঁচজনের এই ইসি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গঠন করেছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সোমবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান।
সিইসি পদে সার্চ কমিটির সুপারিশে নুরুল হুদার সঙ্গে ছিলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার। ২০০৮ সালে অবসরে যাওয়া আলী ইমাম এবারও বাদ পড়লেন।
১৯৭৩ ব্যাচের সরকারি কর্মকর্তা নুরুল হুদার বাড়ি পটুয়াখালীতে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয় যুগ্মসচিব ও অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে দীর্ঘদিন ওএসডি থাকার পর ২০০৬ সালে সচিব হিসেবে অবসরে যান তিনি।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: