১২ ডিসেম্বর, ২০১৬

চীন-মার্কিন সম্পর্ক পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের


চীন-মার্কিন সম্পর্ক পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের


বস্তুত তাইওয়ানকে অখণ্ড চীনের অংশ মনে করার নীতিই 'এক চীন' নীতি। সেই ১৯৭২ সালে চীনের চেয়ারম্যান মাও সে তুং এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিগ্যানের মধ্যে 'এক চীন নীতি'র প্রতি মার্কিন সমর্থনের ব্যাপারে ঐকমত্য হয়।

এরপর থেকে কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্টই এই নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেননি। তবে নির্বাচিত হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই সেই রীতি ভাঙতে যাচ্ছেন ট্রাম্প।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'আমি ঠিক বুঝি না, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য অথবা অন্যান্য প্রশ্নে যদি চুক্তিই না করা যায়, তাহলে তাদের 'এক চীন নীতি' সমর্থনের কারণটা কী?

যুক্তরাষ্ট্র মূলত তিন কারণে এক চীন নীতি সমর্থন করে আসছে:

প্রথমত, বেইজিংয়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, দ্বিতীয়ত, তাইওয়ানকে রক্ষা ও সহযোগিতা করে গণতন্ত্রের পথ রক্ষা এবং তৃতীয়ত, যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা।

৪৪ বছরের সেই রীতি ভেঙে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলে বিতর্কের ঝড় তুলেছিলেন ট্রাম্প।

এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে তার আলাপের বিষয়ে বেইজিং কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। ওই টেলিফোন আলাপের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে অস্বস্তি বাড়তে থাকে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'আমি চাই না; চীন আমাকে আদেশ করুক'। তাদের সাথে আমার আলাপ হয়েছে। এটা ছিল বেশ চমৎকার একটি আলাপ। এ বিষয়ে অন্য কোনো দেশ কী বলল না বলল সেটি দেখার বিষয় নয়।

এদিকে টুইটারে চীনের মুদ্রানীতি এবং দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিং-এর কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। টুইটারে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, 'চীন কি নিজেদের মুদ্রার মান কমানোর ব্যাপারে আমাদের জানিয়েছে'? এর ফলে আমাদের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতিযোগিতা করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।

আরেক টুইটে তিনি লিখেন, 'আমরা কি দক্ষিণ চীন সাগরে বিশাল সামরিক কাঠামো নির্মাণের জন্য তাদের অর্থ দেই? আমরা মনে হয়, না'।


SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: