২ ডিসেম্বর, ২০১৬

২০১৮ সালের মধ্যে দেশের প্রথম স্মার্ট নগরী হবে ‘পূর্বাচল’












একটি স্মার্ট নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প ২০১৮ সালের মধ্যে দেশের প্রথম স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে উঠবে।

এখানে বাসিন্দাদের উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করার জন্য গুণগত মানসম্পন্ন অবকাঠামো ও অন্যান্য সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা থাকবে।

তিনি বলেন, এই স্মার্ট নগরীতে মৌলিক সেবাসমূহ অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ পদ্ধতি পৃথকভাবে কাজ করবে।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, এই প্রকল্প দেশের প্রথম স্মার্ট নগরীকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও ইকো-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তিনি জানান, এই নগরীর প্রায় ৬০ একর জমিতে ১৪২-তলাবিশিষ্ট একটি ‘আইকনিক টাওয়ার’ নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ৭০ হাজার দর্শক ধারণে সক্ষম একটি স্টেডিয়ামও নির্মাণ করা হবে।

এখানে দেশের বৃহত্তম স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে একটি সেক্টরও চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে এবং সহজে যাতায়াতের জন্য মেট্রোরেলের সংযোগ থাকবে।

এছাড়া এখানে দেশের বৃহত্তম প্রদর্শনী কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে, যা ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজনেও ব্যবহার করা হবে।

এই প্রকল্পের নিজস্ব সলিড ওয়াস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, সুষ্ঠু গণপরিবহন, উন্নতমানের আবাসিক ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবা ও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

রাজউক চেয়ারম্যান জানান, প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে পূর্বাচল হবে দেশের সেরা পরিকল্পিত নগরী। এতে প্রায় ৬ হাজার ২২৮ একর জমিতে ৩০টি সেক্টর থাকবে। প্রকল্পটি নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার শীতলক্ষ্যা ও গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বালু নদীর কাছে বিস্তীর্ণ এলাকার মধ্যে অবস্থিত।

রাজউকের সদস্য (উন্নয়ন) মো. আবদুর রহমান জানান, পূর্বাচল নতুন শহরে ২৭ হাজার ৬৮টি প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ২৫ হাজার ১৬টি আবাসিক প্লট ও ১ হাজার ৯৯২টি অন্যান্য প্লট।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের প্রায় ৮৫ শতাংশ জমির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি সূত্র জানায়, প্রকল্পের ভেতর ও বাইরে প্রায় ৪৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার লেকের উন্নয়ন করা হবে।

রাজউক ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজের ডিজাইন অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্লট মালিকদের কাছে আবেদনপত্র আহ্বান করেছে এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্লট মালিক তাদের ডিজাইনের অনুমোদন পেয়েছেন। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার নগরায়নের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করে, যার মাধ্যমে আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রায় ১ কোটি লোকের গৃহসংস্থান হবে। বাসস

ঢাকা, ডিসেম্বর ০২

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: