১৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

ফের বিমানের জরুরি অবতরণ, মাস্ক পরে বাঁচলেন ৩৮ যাত্রী

biman bangladesh এর চিত্র ফলাফলপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্লাইটের বিমানের নাট ঢিলের ঘটনার রেশ না কাটতেই আবারও যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়েছে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট। এবার ঢাকা থেকে মিয়ানমারগামী একটি ফ্লাইটে কেবিন এয়ার প্রেসারাইজেশান সিস্টেম বিকল হয়ে পড়ায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে হয়েছে একটি বিমানকে।

সোমবার ঢাকা-চট্টগ্রাম-ইয়াঙ্গুন রুটের বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০৬০ ফ্লাইটটি ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে বেলা দেড়টার দিকে উড্ডয়ন করে। পরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামে অবতরণ করার পর বেলা পৌনে তিনটার দিকে ফ্লাইটটি ঢাকায় চলে আসে।


এ ঘটনায় আকাশে অক্সিজেন সংকটে অসুস্থ হয়ে পড়েন যাত্রীগণ। বিমানের মধ্যে তাদেরকে অক্সিজেন মাস্ক পরিয়েই ঢাকায় আনা হয়।

বিমানের প্রকৌশল শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার আসাদুজ্জামান জানান, দুপুর দেড়টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইয়াংগুনের উদ্দেশে ছেড়ে যায় ওই ফ্লাইটটি। আধা ঘণ্টা উড়ার পর এয়ারক্রাফটের কেবিনের ভেতর এয়ার প্রেসারাইজেশন কন্ট্রোল সিস্টম অচল হয়ে পড়ে। এতে অক্সিজেন সংকটে যাত্রীদের দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।

বাধ্য হয়ে পাইলট ঢাকায় ফিরে এসে শাহজালালে জরুরি অবতরণ করেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ওই ত্রুটি মেরামতের পর সেটি আবার ইয়াংগুনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যায়।

প্রকৌশল শাখা সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার পর যখন ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ওঠে তখন পাইলটকে এয়ারক্রাফটের ভিতরে বাতাসের চাপ ৪ থেকে ৫ হাজার ফুটের উচ্চতার সমান নিয়ে আসতে হয়। অন্যথায় আকাশে একদিকে এয়ারক্রাফটি দুমড়ে-মুচড়ে যাবে অন্যদিকে যাত্রীদের অক্সিজেন সংকট দেখা দেবে।

বিমান জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাক শাকিল মেরাজ জানান, দুপুর দেড়টায় ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে বিজি-০৬০ (ড্যাশ এইট উড়োহাজাজটি) বিমানবন্দর ছেড়ে যাবার পর চট্টগ্রামে পৌঁছার আগেই বিদেশী পাইলট ক্যাপ্টেন হাতিম দেখতে পান কেবিন এয়ার প্রেসার কন্ট্রোল হচ্ছে না। চাপ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়েই এক ঘণ্টা পর বেলা আড়াইটায় ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি।

শাকিল মিরাজ আরও বলেন, এটি বড় কোনো দুর্ঘটনা কিংবা যান্ত্রিক ত্রুটি নয়। যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার কথা ভেবে আগাম সতর্কতা হিসেবে বিমানটি ফিরে এসেছিল।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: