২৮ নভেম্বর, ২০১৬

দাফনের ২ মাস ৮ দিন পর জীবিত উদ্ধার!

জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ১০ সেপ্টেম্বর মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা গ্রামের আকমল হোসেনের ছেলে হুমায়ন কবির বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ২০ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার হাটফাজিলপুর গ্রামের মাঠ থেকে এক যুবকের গলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশটি তার ছেলের দাবি করে আকমল হোসেন বাড়িতে নিয়ে এসে দাফন করে। পরের দিন শৈলকুপা থানায় ওই গ্রামের সুবোধ বসু, ঐশিক বসু, মন্দিরা বসু ও পলাশ সিকদারকে আসামি  মামলা করেন আকমল হোসেন। মামলার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে হুমায়ুনের বেঁচে থাকার তথ্য বেরিয়ে আসে। পরে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিকালে যশোর থেকে হুমায়নুকে উদ্ধার করে। 

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ জানান, গত ২০ সেপ্টেম্বর শৈলকুপা থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আকমল হোসেন ওই লাশকে তার ছেলের লাশ দাবি করেন। তিনি  শৈলকুপা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে হুমায়ুন বেঁচে আছে এমন প্রমাণ পাওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে অভিয়ান চালায় পুলিশ। অভিযানের অংশ হিসেবে যশোরের একটি টেইলার্স থেকে উদ্ধার করা হয় হুমায়নকে। সন্ধ্যায় তার পিতা-মাতা ও স্থানীয় দুইজন জনপ্রতিনির কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: