২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ভারতের সীমান্তে ইয়াবা তৈরির কারখানা , September 21, 2016

যশোর সীমান্ত থেকে প্রতিদিনই কোনো না কোনো এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের খবর আসে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। বিশেষ করে মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে টেকনাফ-কক্সবাজার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এসব ইয়াবা। অনেকসময় বড় বড় ইয়াবা চালান আটকও করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
তবে আশঙ্কার বিষয় এ মরণ নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট এখন ভারতীয় সীমান্তের ওপারের এলাকাগুলোতেও তৈরি হচ্ছে। ফলে মাদক পাচারকারীরা ফেনসিডিল-মদসহ অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্যের সঙ্গে ইয়াবাও নিয়ে আসছে।
ভারত থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে আসছে গাঁজা, ফেনসিডিল ও বিভিন্ন ধরনের নেশা জাতীয় ইনজেকশন। এদিকে, মায়ানমার থেকে সীমান্ত দিয়ে মরণ নেশা ইয়াবা নিয়ে আসে মাদক ব্যবসায়ীরা।
শুধু মায়ানমার নয়, এখন ভারত থেকেও আসতে শুরু করেছে এ মরণ নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট। মাদক ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে ফেনসিডিলের পাশাপাশি ইয়াবা নিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আর এ ইয়াবা বিজিবি’র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবেশ করছে। এ পর্যন্ত একাধিকবার বাংলাদেশের যশোর-বেনাপোল সীমান্তে ভারত থেকে আসা এসব ইয়াবার চালান আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা।
চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর বেনাপোল সীমান্তে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। যশোর বেনাপোলসহ এ অঞ্চলের অন্যান্য সীমান্ত এলাকায় আগস্ট মাসে ২৯১ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বিজিবি। এছাড়াও এ সীমান্ত এলাকায় এমন বেশ কিছু ইয়াবা চালানও জব্দ করেছে। আর এসব ইয়াবা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।
বিজিবি’র কর্মকর্তারা ধারণা করছে, সীমান্তবর্তী ভারতীয় এলাকায় এসব ইয়াবা তৈরি করা হচ্ছে। সেখানে কারখানা থাকতে পারে।
মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিজিবি’র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল রিজিওন কার্যালয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এমনটাই জানিয়েছেন বিজিবি’র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল রিজিওন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খলিল রহমান।
‘ইয়াবার অধিকাংশ চালান দেশে আসছে মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে। তবে যশোর-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে যেবস ইয়াবা বাংলাদেশে আসছে সেগুলোর মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে’- বললেন খলিল রহমান।
‘মায়ানমার থেকে আসা ইয়াবা আর ভারত থেকে নিয়ে আসা এসব ইয়াবার আঁকার এবং রং এক নয়’।
ইয়াবা জব্দ করার পর বহনকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, এসব ইয়াবা ভারত থেকে নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি জানান, ‘আমরা ধারণা করছি সীমান্তবর্তী ভারতীয় এলাকায় এসব ইয়াবা তৈরির কারখানা রয়েছে’।
আমরা আরও তথ্য সগ্রহের কাজ করছি -যোগ করলেন তিনি।
সীমান্ত এলাকার পরিদর্শনকালে স্থানীয়রা সাংবাদিকরা জানায়, যশোর-বেনাপোর সীমান্তে যে সব ইয়াবা আসছে এগুলো ‘ভুয়া ইয়াবা’ নামে পরিচিত। কিন্তু এগুলো ইয়াবা ট্যাবলেট বলেই চালানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩১৫ ঘণ্টা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬,


SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: