২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বেনাপোলে বন্দরে লোকসানে ব্যবসায়ীরা

২০১৬ সেপ্টেম্বর ২০ ১৭:৪৭:১৩
কাস্টমসের সিদ্ধান্ত হীনতার কারণে বেনাপোল বন্দরে আমদানি কারকের ১৪০ টন কাঁচা মরিচ দুই দিন ধরে আটকা থাকায় কোটি টাকার লোকসান হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সিএন্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীরা একাট্টা হয়ে ক্ষতিপূরনের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে।
আর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছেন আমদানি পণ্যের বাজার মূল্য যাচাইয়ে এই বিলম্ব হয়েছে বলে দাবি করেছে। পরে কাঁচা মরিচ খালাস দেওয়া হয়েছে। বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছেন ব্যবসায়ীরা তাদের মাল না নিলে আমাদের করার কিছু নেই।
সুত্র জানায়, গত ১৮ সেপ্টম্বর সকালে ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে ৫ জন আমদানিকারক ১০টি ট্রাকে প্রায় ১৪০ মে. টন কাঁচামরিচ ভারত থেকে আমদানি করে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা। কাঁচামরিচ আমদানির নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও কাস্টমস যুগ্ম কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান ওই আমদানি পণ্যের চালান প্রথমে আমদানিতে বাধা দেন। পরে আবার অনুমতি দিলে মাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করলেও তিনি কাঁচামরিচের বাজার মূল্য যাচায়ের অযুহাত দিয়ে ওইদিন পণ্য খালাস দেননি। পরের দিন (১৯ সেপ্টম্বর) দুপুর ১টা পর্যন্তও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। এতে গরমে মরিচ পঁচে খাবারের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে।
ফলে ব্যবসায়ীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাল বন্দর থেকে ছাড় করাবেন না এবং কাস্টমসের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবী করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।
কাঁচামরিচ আমদানি কারকের প্রতিনিধি বেনাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী উজ্জ্বল জানান, গত সপ্তাহেও কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে প্রতি কেজির আমদানি মূল্য .৩৫ সেন্ট মূল্যে। কিন্তু কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে জানান প্রতি কেজি .৭০ সেন্ট মূল্য করতে হবে।
এছাড়া বাজার মূল্য যাচাই করার কথাও বলেন তিনি। এতে দুইদিন আমদানি পণ্য আটকে থেকে মাল পঁচে তাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছেন কেজি প্রতি .৪০ সেন্ট মূল্যে মাল খালাস নিতে। প্রথমে যদি তিনি এই সিদ্ধান্ত দিতেন তাহলে এই লোকশান হতোনা।
বিষয়টি জানার জন্য কাস্টমস যুগ্মকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি।
বেনাপোল কাস্টমস হাউজের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ জানান, পণ্যের বাজার মূল্য যাচাইয়ে এই বিলম্ব হয়েছে। পরে মালামাল খালাস দেওয়া হয়েছে।
-

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: