৫ জুলাই, ২০১৬

যশোরে মুক্তির পরই জেলগেটে যুবলীগকর্মী খুন

হেমায়েত মণ্ডলের (৩০) জন্য জেলখানাই নিরাপদ ছিল। মুক্তি পেয়ে বাড়ি যাওয়া হলো না তার। জেলগেটের মাত্র কয়েক গজ দূরত্বে পিস্তলের গুলিতে খুন হন স্থানীয় এ যুবলীগকর্মী ।

সোমবার ইফতারের পর যশোর শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা জেলগেটের সামনে ঘটে এ ঘটনা।

নিহত হেমায়েত যশোর সদর উপজেলার মণ্ডলগাতি গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে। ডজনখানেক মামলায় জেল খাটছিলেন তিনি। যশোরে নিজের নামে থাকা ‘হেমায়েত বাহিনী’র প্রধান ছিলেন তিনি। জেলখানা থেকে বের হওয়ার সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা জেলগেটের সামনে খুব কাছে থেকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলে খুনিদের ফেলে যাওয়া নিবন্ধনহীন একটি টিভিএস মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। যশোর শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। শহরের কয়েকটি জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহত হেমায়েতের মা রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, শহরতলীর তার (হেমায়েতের) প্রতিপক্ষ হাসান, ফিরোজ, আজিজুল, মামুন এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারে।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ বলেন, ‘নিহত হেমায়েত যুবলীগ করত। প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের লালিত-পালিত সন্ত্রাসী।’

উপস্থিত জনতা রক্তাক্ত হেমায়েত মন্ডলকে যশোর আড়াই শ’ বেড হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ধারণা করছি খুনিরা তিনটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করেছে। জেলখানার গেটের ক্লোজ সার্কিট ক্যমেরায় ধারণকৃত দৃশ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শণ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, হেমায়েতকে কারা মেরেছে তদন্তের পর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: