১৫ জুলাই, ২০১৬

যশোরে বৃত্তির আওতায় শতভাগ শিক্ষার্থী, সাড়ে ২৩ কোটি টাকা ব্যয় করছে সরকার

বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি করার জন্য সরকার শিক্ষাবৃত্তি খাতে যশোরে সাড়ে ২৩ কোটি টাকা ব্যয় করছে। জেলায় শতভাগ শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি দিতে ২০১৫-২০১৬ সেশনে এ টাকা খরচ করা হচ্ছে। চলতি বছরের ১২ জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদেরকে এ বৃত্তির অর্থ প্রদান শুরু হয়েছে। ২০ জুলাই পর্যন্ত এ বৃত্তি প্রদান করা হবে। পূর্বের বছরগুলোতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তির আওতাভুক্ত ছিল।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি মনিটরিং অফিসার সোলাইমান হোসেন জানান, জেলায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার ২৩৮ শিক্ষার্থীর মাঝে ২৩ কোটি ৫২ লাখ ৬১ হাজার ৭৫০ টাকা বিতরণ করা হবে। তার মধ্যে সদরে ১ লাখ ১ হাজার ২৯৯ শিক্ষার্থী পাচ্ছে ৫ কোটি ২ লাখ ৮২ হাজার ৮০০ টাকা, মণিরামপুরে ৭৬ হাজার ৮২ শিক্ষার্থী পাচ্ছে ৩ কোটি ৮২ লাখ ৫৫ হাজার ৯০০ টাকা, কেশবপুরে ৪৬ হাজার ৬১৬ শিক্ষার্থী পাচ্ছে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ টাকা, শার্শায় ৫৭ হাজার ৪৯১ শিক্ষার্থী পাচ্ছে ৩ কোটি ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫০ টাকা, ঝিকরগাছা ৫৭ হাজার ৭৩৩ শিক্ষার্থী পাচ্ছে ৩ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার ৫০ টাকা, অভয়নগরে ৩০ হাজার ৩৮৩ শিক্ষার্থী পাচ্ছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৮০ হাজার ১০০ টাকা, বাঘারপাড়ায় ৪০ হাজার ২১২ শিক্ষার্থী পাচ্ছে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৭১ হাজার ৪০০ টাকা ও চৌগাছায় ৫০ হাজার ৮৮ শিক্ষার্থী পাচ্ছে ২ কোটি ৬২ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা।
তিনি বলেন, অন্যান্য জেলায় শতভাগ শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হলেও যশোর জেলায় এ বছর প্রথম প্রতিটি স্কুলে শতভাগ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। সব শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করার মূল উদ্দেশ্য স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ানো। যাতে কোন শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝরে না পড়ে। শতভাগ প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারী বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ৮৫ ভাগ উপস্থিতি ও পাসের হার বাড়ানোর জন্য সব শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। উপবৃত্তি পেলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সচেতন হবে। শিক্ষার্থীদের কোয়ালিটি বাড়বে। প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: