২৩ অক্টোবর, ২০১৫

সিসি ক্যামেরার আওতায় আসছে যশোর

যশোরে অপরাধ দমনে আধুনিক পদ্ধতির সুবিধা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধী সনাক্ত করতে গোটা শহরকে নেয়া হবে সিসি (অণুবিক্ষণ) ক্যামেরার আওতায়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরা বসানোর স্থান তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি সিকদার আককাছ আলী জানান, জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির গত বুধবারের সভায় শহরের প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা বাসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সে অনুযায়ী তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি প্রাথমিক ভাবে তালিকা করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে দাখিল করবেন। পরে এ ক্যামেরা বসানোর জন্য গঠিত উপ-কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি বলেন, শহরের মনিহার এলাকা থেকে ক্যামেরা বসানোর জন্য স্থান নির্ধারণী তালিকা তৈরি হয়েছে। ওই অংশে ১০টির বেশি ক্যামেরা বসানো হবে। শহরে ঢোকার প্রত্যেকটি প্রবেশ মুখে ১০ বা তার অধিক ক্যামেরা বসানো হবে। প্রাথমিক ভাবে ৭৬টি পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ২০০টির মতো ক্যামেরা বসানো হবে। শংকরপুর বাসটর্মিনাল, চাঁচড়া মাগুরপট্ট্, চাঁচড়া মোড়, চেকপোস্ট, ডালমিল এলাকা, পশু হাসপাতালের সামনে, রেলস্টেশন এলাকা, মুজিব সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট, এমএম কলেজ, জিলা স্কুলের সামনে, প্রেসক্লাব যশোরের সামনে, ঈদগাহ মোড়, প্রধান ডাকঘর, মাইকপট্টি, দড়াটানা মোড়, হাসপাতাল মোড়, চিত্রা মোড়, চারখাম্বার মোড়, চৌরাস্তার মোড়, টিবি ক্লিনিক মোড়, ষষ্ঠিতলা, সিটি কলেজ, আরএন রোডের বিভিন্ন পয়েন্ট, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, বিসিএমসি কলেজ, মোল্লাপাড়া বারান্দীপাড়া এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট, ঢাকা রোড, শিক্ষা বোর্ডের সামনে, হাইকোর্ট মোড়, উপশহর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, জেল রোড, বাবলাতলা, কাঁঠালতলা, পালবাড়ি এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট, পুলিশ লাইন, আবরপুর মোড়, বিমানবন্দর সড়ক, ধর্মতলা, কারবালা এলাকা, এসপি অফিস রোড, পৌরসভার সামনে, মুসলিম একাডেমির সামনে, গরীবশাহ দরগার সামনে, ঘোপ নওয়াপাড়া রোড, জেলরোড, সেন্ট্রাল রোড, এইচএমএম রোড, চুড়িপট্টি, বেজপাড়া এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় এই সিসি ক্যামেরা বসানো হবে।

ওসি আরও জানান, পুলিশ সুপার এবং যশোর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এ ক্যামেরা বসানোর স্থান নির্ধারণ করবেন। তাদের কাছে তলিকা তৈরি করে পাঠানো হবে। সিসি ক্যামেরা বসানো হলে শহরে প্রকাশ্যে অপরাধ কমে আসবে এবং অপরাধী সনাক্ত করা সহজ হবে বলে তিনি মনে করেন।

এ বিষয়ে প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন বলেন, জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবির শহরের সিসি ক্যামেরা বসানোর প্রস্তাব দেন। সে অনুযায়ী শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: