মানুষের ক্ষতি বরদাস্ত করব না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখা...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাস্ত করবো না।’
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।’
জনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpufর্ণিঝড় কোমেন মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাগেরহাটের প্রশাসন। সাগরে অবস্থানরত সব মাছধরা ট্রলার ও নৌকা সুন্দরবনের নদী ও খালে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. কামাল উদ্দিন ট্রলারগুলোর নদী-খালে আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে জেলার ২০৭টি সাইক্লোন শেল্টার। বাতিল করা হয়েছে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বেলা সাড়ে ১১টায় সভা শেষে জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, সার্বক্ষণিক দুর্যোগ প্রস্তুতি মনিটরিংয়ের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মাইকিং করে উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মংলার জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম ও স্বেচ্ছা সেবকদের। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে তাদের কর্মস্থলে থাকতে বলা হয়েছে।

সভায় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিব কুমার রায় বলেন, এখনো রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকায় কেউ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে চাইছে না। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সর্তক অবস্থায় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের দিকে আরো অগ্রসর হলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সবাইকে সরিয়ে নেওয়া হবে।

এসময় জেলা প্রশাসন ও সব সরকারি-বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মংলাসহ উপকূলে আবহাওয়া দফতরের জারি করা পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত বহাল রয়েছে।

রাতে ভারি বর্ষণ হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে না। তবে দুপুর পর্যন্ত বাগেরহাট জেলায় মেঘাচ্ছন্ন গুমোট আবহাওয় বিরাজ করছিল।র্ণিঝড় কোমেন মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাগেরহাটের প্রশাসন। সাগরে অবস্থানরত সব মাছধরা ট্রলার ও নৌকা সুন্দরবনের নদী ও খালে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. কামাল উদ্দিন ট্রলারগুলোর নদী-খালে আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে জেলার ২০৭টি সাইক্লোন শেল্টার। বাতিল করা হয়েছে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বেলা সাড়ে ১১টায় সভা শেষে জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, সার্বক্ষণিক দুর্যোগ প্রস্তুতি মনিটরিংয়ের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মাইকিং করে উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মংলার জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম ও স্বেচ্ছা সেবকদের। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে তাদের কর্মস্থলে থাকতে বলা হয়েছে।

সভায় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিব কুমার রায় বলেন, এখনো রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকায় কেউ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে চাইছে না। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সর্তক অবস্থায় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের দিকে আরো অগ্রসর হলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সবাইকে সরিয়ে নেওয়া হবে।

এসময় জেলা প্রশাসন ও সব সরকারি-বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মংলাসহ উপকূলে আবহাওয়া দফতরের জারি করা পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত বহাল রয়েছে।

রাতে ভারি বর্ষণ হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে না। তবে দুপুর পর্যন্ত বাগেরহাট জেলায় মেঘাচ্ছন্ন গুমোট আবহাওয় বিরাজ করছিল।র্ণিঝড় কোমেন মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাগেরহাটের প্রশাসন। সাগরে অবস্থানরত সব মাছধরা ট্রলার ও নৌকা সুন্দরবনের নদী ও খালে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. কামাল উদ্দিন ট্রলারগুলোর নদী-খালে আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে জেলার ২০৭টি সাইক্লোন শেল্টার। বাতিল করা হয়েছে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বেলা সাড়ে ১১টায় সভা শেষে জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, সার্বক্ষণিক দুর্যোগ প্রস্তুতি মনিটরিংয়ের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মাইকিং করে উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মংলার জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম ও স্বেচ্ছা সেবকদের। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে তাদের কর্মস্থলে থাকতে বলা হয়েছে।

সভায় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিব কুমার রায় বলেন, এখনো রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকায় কেউ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে চাইছে না। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সর্তক অবস্থায় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের দিকে আরো অগ্রসর হলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সবাইকে সরিয়ে নেওয়া হবে।

এসময় জেলা প্রশাসন ও সব সরকারি-বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মংলাসহ উপকূলে আবহাওয়া দফতরের জারি করা পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত বহাল রয়েছে।

রাতে ভারি বর্ষণ হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে না। তবে দুপুর পর্যন্ত বাগেরহাট জেলায় মেঘাচ্ছন্ন গুমোট আবহাওয় বিরাজ করছিল।
জনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpuf
জনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpuf
জনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpuf
জনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpuf
জনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpuf
জনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpuf
জনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpuf
রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে ভবিষ্যতে কেউ যেন আর বর্বরতা চালানোর সাহস না পায় সে জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'জনগণকে পুড়িয়ে মারা ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা কোনো রাজনীতি নয়।'
চলতি বছরের শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় পেট্রলবোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৫ জন বাস মালিক, নিহত ১৫ জনের পরিবারের ৩০ জন সদস্য ও সাতজন আহতকে মোট আট কোটি ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মানুষ চলাফেরা করবে, নিজের জীবনকে উন্নত করবে- এটাই তো মানুষের কাম্য। আর সেখানে যদি এভাবে মানুষের ক্ষতি করা হয়, তা আমরা বরদাশত করবো না।'
চলতি বছরের শুরু থেকে পরবর্তী ৯২ দিন হরতাল ও অবরোধে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। তাদের কেউ রেহাই পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিতে শুরু করেছি।'
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে। ভবিষ্যতে এভাবে যেন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়, সেই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তা করব।'
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করেছি আপনাদের সহযোগিতা করার, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমি জানি, যে ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, সেটা পুরণ করা সম্ভব না। তারপরও আমাদের একটা চেষ্টা রয়েছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর, সাহায্য সহযোগিতা করার।'
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকে এই বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধে বাস-ট্রাকে পেট্রলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রায় দেড় শ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কারো ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের এত বড় ক্ষতি কেউ কখনো করতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না।'
নিজের রাজনীতির লক্ষ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, 'রাজনীতি করি জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলের জন্য। সেই রাজনীতির জন্য জনগণকে পুড়িয়ে মারার, জনগণের ক্ষতি করার, জনগণের জানমালের ক্ষতি করা, সেটা কোনো রাজনীতি নয়। এটা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াত জোট সেটাই করেছে।'
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭৬ জন বাস মালিক এবং ৩১৮ জন নিহত ও আহতদের মধ্যে ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/national/2015/07/30/96733#sthash.KxSRUtlI.dpuf

COMMENTS

Mountain View
নাম

অপরাধ বার্তা অভয়নগর অর্থনীতি আন্তর্জাতিক ইতিহাস/মুক্তিযুদ্ধ ইলেক্ট্রনিক্স ইসলাম ঐতিহ্য ঐতিহ্য/সংস্কৃতি কলাম কৃষি কৃষি বার্তা কেশবপুর খেলাধুলা গ্যালারী চাকরির খবর চাকুরী চুয়াডাঙ্গা চৌগাছা জাতী জাতীয় ঝিকরগাছা ঝিনাইদহ টিপস তথ্য প্রযুক্তি দর্শনীয় স্থান নড়াইল নিবন্ধ পরিবেশ প্রকৃতি/পরিবেশ প্রতিবেদন প্রবাস প্রশাসন ফেসবুক বাঘারপাড়া বিনোদন বিশেষ খবর বেনাপোল ব্যক্তিত্ব ব্যবসা/বানিজ্য ব্রেকিং নিউজ ভর্তি পরীক্ষা ভিডিও ভ্রমন মনিরামপুর মাগুরা মুক্তিযুদ্ধ যশোর যশোর সদর রাজনীতি রান্না লাইফ স্টাইল শার্শা শিক্ষাঙ্গন সংবাদ সংস্কৃতি সম্পাদকীয় সর্বশেষ সাফল্য সারাদেশ সাহিত্য সিনেমা স্বাস্থ্য Breaking Feature Greater Jessore Tips
false
ltr
item
যশোর নিউজ ২৪: Jessore News 24:: মানুষের ক্ষতি বরদাস্ত করব না: প্রধানমন্ত্রী
মানুষের ক্ষতি বরদাস্ত করব না: প্রধানমন্ত্রী
http://1.bp.blogspot.com/-CqWQKxopnzY/Vbn4YMXY5sI/AAAAAAAAAlQ/YIAR7e2eGD8/s640/22.jpg
http://1.bp.blogspot.com/-CqWQKxopnzY/Vbn4YMXY5sI/AAAAAAAAAlQ/YIAR7e2eGD8/s72-c/22.jpg
যশোর নিউজ ২৪: Jessore News 24:
http://www.jessorenews24.com/2015/07/blog-post_41.html
http://www.jessorenews24.com/
http://www.jessorenews24.com/
http://www.jessorenews24.com/2015/07/blog-post_41.html
true
286737489812364167
UTF-8
Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy