২৯ এপ্রিল, ২০১৫

যশোর কারাগারের ক্যান্টিনে চড়া মূল্যে মালামাল ক্রয়ের অভিযোগ

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে বাহির ক্যান্টিনে চড়া মূল্যে মালামাল বিক্রয় করার খবর জেনেও কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহন না করায় বন্দি হাজতী ও কয়েদী আসামীদের আত্মীয়স্বজনদের বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।উক্ত ক্যান্টিনে ম্যানেজারের দায়িত্বরত কারারক্ষি রহমত রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হতে চলেছে।
তাছাড়া, রহমত ক্যান্টিনের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালনের সুযোগে সুন্দরী গৃহবধূ ক্রেতাদের সাথে বিভিন্নভাবে অঙ্গভঙ্গী করে উত্যক্ত করা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাহির ক্যান্টিনে দায়িত্বরত রক্ষি রহমত মার্চ মাসের শুরু থেকে ক্যান্টিনে দায়িত্ব গ্রহনের পর ভাউচার ও চড়া মূল্যে দ্রব্য বিক্রি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন।
রক্ষি রহমত ক্যান্টিনের ম্যানেজারের ভূমিকায় দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে নিজের আখের গোছানোর জন্য বিভিন্ন কৌশল করে লাখোপতি বনে গেছেন।কারাগারের বিভিন্ন সুত্রগুলো জানিয়েছেন, কারাগারের বাহির ক্যান্টিনে ম্যানেজারের দায়িত্বরত রক্ষি রহমত বন্দি হাজতী ও কয়েদী আসামীদের জন্য কেনাকাটা মালামালের মূল্য চড়া দাম হাকিয়ে নিচ্ছেন। কেনা কাটা মালামালের উপর কোন মূল্য নির্ধারণ ক্যান্টিনে ঝুলানো নেই।
সেই ক্ষেত্রে ক্যান্টিন ম্যানেজার তার বিক্রয় শ্লিপে প্রকৃত মূল্যর চেয়ে অধিক দাম হাকিয়ে ক্রেতা সাধারণকে ঠকিয়ে নিজের পকেট ভারী করছে।সুত্রটি আরো জানিয়েছেন,বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোন নিয়ম নীতি রক্ষি রহমত মানেন না।সুত্রটি জানিয়েছেন,রহমত অনেক সময় বলে ফেলেন তার বেচা কেনার একটি অংশ সুপার মহোদয়ের অফিসের আপ্যায়ন বাবদ খরচসহ সুপারের বিভিন্ন ব্যয়ে তার নিকট হতে টাকা দিতে হয়।তাই তিনি দম্ভোক্তির সাথে বলে বেড়ায় আমাকে সুপার মহোদয় চেনেন। আমি যা হিসাব নিকাশ দেবো তাই সঠিক।
সুপারের দোহায় দিয়ে ক্যান্টিন ম্যানেজারের দায়িত্ব পালনকালে রহমত যা ইচ্ছে তাই করছে।রহমতের কর্মকান্ডে ক্রেতা সাধারণ অতিষ্ট হয়ে উঠলেও সুপারের লোক পরিচয় দানকারী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাইনা।এমনকি রহমতের সহযোগী হিসেবে মাহফুজ তার কর্মকান্ডে হতবাক হয়ে পড়েছে।এ ব্যাপারে কারা উপ-মহা পরিদর্শকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বন্দি আসামীদের আত্মীয়স্বজনেরা।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: