১২ মার্চ, ২০১৫

যশোর রেলস্টেশনে আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা!

যশোর শহরের আলোচিত শাহানাজ আবাসিক হোটেলে চলছে জমজমাট দেহ ব্যবসা। প্রতিদিন এ হোটেলে খদ্দের ও কলগার্লদের হাট বসে। সকালে কাকডাকা ভোরে কর্লগার্লরা বোরকা পরে হোটেলে ঢোকে আর বের হয় দুপুরে। হোটেল মালিক ও ম্যানেজারদের নেতৃত্বে চলা এ দেহ ব্যবসার মদদ যুগিয়ে থাকে পুলিশ। মাসিক ও সাপ্তাহিক চুক্তিতে নিরব আছে পুলিশ। একারনে অভিযান চালানো হয় না। এ হোটেলে কাজ পেতে হলে কর্লগার্ল প্রতি ৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়।
সূত্র জানায়, শহরের রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থিত আলোচিত আবাসিক হোটেল শাহনাজ। এ হোটেলের মালিক সাবেক শংকরপুরের হাসান-মিজান চোরাচালান সিন্ডিকেটের ভাই হাজী রুহুল আমিন। এর ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে হাবিব। প্রতিদিন তাদের নেতৃত্বে হোটেলে ৭ কর্লগার্ল রেখে দেহ ব্যবসা চালানো হচ্ছে। তারা প্রতিদিন সকালে বোরকা পরে হোটেলে ঢোকে। এরা হচ্ছে, হামিদপুরের নাহার, মনিরা, আসমা, ঝুমঝুমপুরের খুকুমনি, কুয়াদার হাসিনা বেগম ও হাসিনা খাতুন এবং খাজুরা থেকে আসা এক বৌদি। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এদের সাথে যোগাযোগ রাখে ম্যানেজার। হোটেলে এরা দুপুর পর্যন্ত খদ্দেরদের মনোরঞ্জন যুগিয়ে চলে যায়। আবার অনেক সময় ভাল খদ্দের আসলে মোবাইল ফোনে কন্টাক্ট করে দেয় ম্যানেজার। সারারাত চুক্তিতে কর্লগার্ল রাখা হয় হোটেলে। এর জন্য অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয় খদ্দের ও কর্লগার্লকে। দেহ ব্যবসা জোরদার করতে হাজী রুহুল আমিন রাজনৈতিক ছদ্দবরন পরিবর্তন করে সরকার দলে ভিড়েছে। এখন প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে এ ব্যবসা।
সূত্র জানায়, এখানে কলগার্ল হিসেবে নিয়োগ পেতে পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছে ম্যানেজার নড়াইলের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান হাবিব। এছাড়া প্রতিদিন কাজ শেষে হোটেল ছেড়ে যাওয়ার সময় জনপ্রতি পাঁচশত টাকা করে দিতে হয় হোটেল ম্যানেজারকে। ওখানে পুলিশি ঝামেলা না থাকা, আর হরতাল অবরোধে খরিদ্দার বেড়ে যাওয়ায় কলগার্লরাও খুশি এখানে কাজ পেয়ে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: