১৬ ফেব, ২০১৫

ওয়েস্টইন্ডিজকে হারানো অঘটন নয়: পোর্টারফিল্ড

আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড দাবি করেছেন, তার দলের বিশ্বকাপে ওয়েস্টইন্ডিজকে ৪ উইকেটে হারানোর ঘটনাকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখা উচিত্। এই ফলাফলকে কোনভাবেই অঘটন বলা যাবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
 
নেলসনের স্যাক্সন ওভালে অনুষ্ঠিত সোমবারের ম্যাচে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩০৪ রানে আটকে রাখার পর আইরিশ দলটি ২৫ বল হাতে রেখেই ৩০৭ রান সংগ্রহের মাধ্যমে ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে।
 
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২তম র্যাংকধারী আয়ারল্যান্ডকে জুনিয়র সদস্য হিসেবে বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। অপরদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হচ্ছে টেস্ট খেলুড়ে দল। যারা আইসিসির ১০ টি পূর্ণ সদস্য দেশের একটি এবং বিশ্বকাপের প্রথম দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণ সদস্যের অভিজাত দলগুলোই আয়ারল্যান্ডের মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশগুলোর বিপক্ষে ছড়ি ঘোরানোর কথা। কিন্তু পোর্টার ফিল্ডের মতে ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে সহজে জয় করা ম্যাচটি কোনভাবেই অঘটন নয়। তিনি বলেন, ‘এটিকে আমি অঘটন হিসেবে দেখছি না। আমরা এই টুর্নামেন্টে আসার আগে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা পরের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছি। ’
ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে এই জয় বি’ গ্রুপ থেকে পরের রাউন্ডে যাবার ক্ষেত্রে আইরিশদের অবস্থান আরো সংহত হয়েছে। ওয়েস্টইন্ডিজ ছাড়া এই গ্রুপে অন্য সিনিয়র দলগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তান। এখন আইরিশ দলটির পরের রাউন্ডে যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে আইসিসির আরেক পূর্ণ সদস্য দেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের ফলাফল কেমন হবে সেটির ওপর। পোর্টারফিল্ড বলেন, ‘অপেক্ষকৃত ছোট দলগুলোকে সহযোগী সদস্য করে রাখার কারণে তারা বেশি হতাশ হচ্ছে। আমি জানি না কিছু কিছু দলকে পূর্ণ সদস্য এবং কিছু কিছু দলকে সহযোগী সদস্য করে রাখার কারণ।’
 
২০১১ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে এবং এরও চার বছর আগে পাকিস্তানকে হারানোর কারণে আয়ারল্যান্ড এখন জায়ান্ট কিলার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মতো বড় আসরগুলো ছাড়া পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ তারা খুব একটা পায় না। যার মাধ্যমে তাদের এই খেলাটি আরো উন্নতি লাভ করতে পারে।
 
গত বিশ্বকাপের পর আয়ারল্যান্ড পূর্ণ সদস্যের দেশগুলোর সঙ্গে মাত্র ৯টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে, যেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুধুমাত্র গত এক বছরে খেলেছে ২১টি ম্যাচ।
ওয়েস্টইন্ডিজকে হারানো অঘটন নয়: পোর্টারফিল্ড
 
আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড দাবি করেছেন, তার দলের বিশ্বকাপে ওয়েস্টইন্ডিজকে ৪ উইকেটে হারানোর ঘটনাকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখা উচিত্। এই ফলাফলকে কোনভাবেই অঘটন বলা যাবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
 
নেলসনের স্যাক্সন ওভালে অনুষ্ঠিত সোমবারের ম্যাচে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩০৪ রানে আটকে রাখার পর আইরিশ দলটি ২৫ বল হাতে রেখেই ৩০৭ রান সংগ্রহের মাধ্যমে ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে।
 
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২তম র্যাংকধারী আয়ারল্যান্ডকে জুনিয়র সদস্য হিসেবে বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। অপরদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হচ্ছে টেস্ট খেলুড়ে দল। যারা আইসিসির ১০ টি পূর্ণ সদস্য দেশের একটি এবং বিশ্বকাপের প্রথম দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণ সদস্যের অভিজাত দলগুলোই আয়ারল্যান্ডের মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশগুলোর বিপক্ষে ছড়ি ঘোরানোর কথা। কিন্তু পোর্টার ফিল্ডের মতে ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে সহজে জয় করা ম্যাচটি কোনভাবেই অঘটন নয়। তিনি বলেন, ‘এটিকে আমি অঘটন হিসেবে দেখছি না। আমরা এই টুর্নামেন্টে আসার আগে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা পরের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছি। ’
ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে এই জয় বি’ গ্রুপ থেকে পরের রাউন্ডে যাবার ক্ষেত্রে আইরিশদের অবস্থান আরো সংহত হয়েছে। ওয়েস্টইন্ডিজ ছাড়া এই গ্রুপে অন্য সিনিয়র দলগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তান। এখন আইরিশ দলটির পরের রাউন্ডে যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে আইসিসির আরেক পূর্ণ সদস্য দেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের ফলাফল কেমন হবে সেটির ওপর। পোর্টারফিল্ড বলেন, ‘অপেক্ষকৃত ছোট দলগুলোকে সহযোগী সদস্য করে রাখার কারণে তারা বেশি হতাশ হচ্ছে। আমি জানি না কিছু কিছু দলকে পূর্ণ সদস্য এবং কিছু কিছু দলকে সহযোগী সদস্য করে রাখার কারণ।’
 
২০১১ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে এবং এরও চার বছর আগে পাকিস্তানকে হারানোর কারণে আয়ারল্যান্ড এখন জায়ান্ট কিলার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মতো বড় আসরগুলো ছাড়া পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ তারা খুব একটা পায় না। যার মাধ্যমে তাদের এই খেলাটি আরো উন্নতি লাভ করতে পারে।
 
গত বিশ্বকাপের পর আয়ারল্যান্ড পূর্ণ সদস্যের দেশগুলোর সঙ্গে মাত্র ৯টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে, যেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুধুমাত্র গত এক বছরে খেলেছে ২১টি ম্যাচ।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: