২৩ জানু, ২০১৫

ফাইনাল খেলবে নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া: ফ্লেমিং

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড দলকে উদ্দীপ্ত করতে পারে তাদের সাবেক অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের কথা। ফ্লেমিংয়ের বিশ্বাস এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালটি হবে দুই আয়োজক নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া মধ্যে।
ফ্লেমিংয়ের বক্তব্য নিউজিল্যান্ডের জন্য চাপ হয়েও দেখা দিতে পারে। কেননা আরো দুই সাবেক অধিনায়ক মার্টিন ক্রো এবং জন রাইটও আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দলটির সম্ভাবনা দেখছেন। টুর্নামেন্টের ওয়েবসাইটে স্বাগতিক দুই দেশের মধ্যকার সম্ভাবনা সম্পর্কে ভবিষ্যত্বানী দিয়ে ফ্লেমিং বলেন, ‘ফাইনালে যাবে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকারও জোরাল সম্ভাবনা আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ আবির্ভূত হবে ‘কালো ঘোড়া’ হিসেবে।’
সকল দিক বিচারেই নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ জয়ের ক্ষমতা দেখছেন ফ্লেমিং। তার মতে পর্যাপ্ত শক্তির কারণে দলটির ওপর সবার নজর থাকবে। তাছাড়া গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাকিস্তানকে হারানোর পর চলতি সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও নিউজিল্যান্ড নিজেদের সম্ভাবনা মেলে ধরছে বলে মনে করেন ফ্লেমিং। সাবেক বাঁহাতি ব্যাটসম্যানটি বলেন, ‘দলে চেনা-জানা মুখগুলোই রয়েছে। আছে কেন উইলিয়ামস, রস টেলর, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, বোলিং বিভাগে রয়েছে টিম সাউদি, ড্যানিয়েল ভেট্টরি ও ট্রেন্ট বোল্ট। আমি এমন আরো তিন বা চারজনের নাম বলতে পারি, বিশ্বকাপে যাদের ওপর নজর থাকবে। এই কারণেই বিশ্বকাপে দলটি নিয়ে আমি আশাবাদী।’
এর আগে টুইটারেও স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের সম্ভাবনার কথা বলেন ফ্লেমিং, ‘দলটির বিশেষ কিছু করে দেখানোর এটা দারুণ সুযোগ। এখন ফর্ম ধরে রাখতে হবে, সঙ্গে কিছুটা ভাগ্যের সাহায্য লাগবে এবং ইতিবাচক মনোভাব ধরে রাখতে হবে।’
সাবেক তারকা ক্রিকেটার ফ্লেমিং ২৮০টি ওয়ানডে খেলে অবসর নেয়ার আগে চারটি  বিশ্বকাপেও অংশ নেন। এর মধ্যে ১৯৯৯ এবং ২০০৭ সালের আসরে সেমিফাইনাল খেলেছিলেন তিনি। বিশ্বকাপে ৩৩টি ম্যাচ খেলে ৩৫ দশমিক ৮৩ গড়ে ১০৭৫ রান করা ফ্লেমিং মনে করেন তার সময় ২০০৩ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের ভালো কিছু করার দারুণ সুযোগ ছিলো। কেননা ওই দলটি অনেক মেধাবী ছিলো বলে মনে করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের যা অর্জন করার দরকার ছিলো তা আমরা করতে পারিনি।.....আমি মনে করি ওইটা আমাদের অন্যতম সেরা একটি দল ছিলো।’  আসরটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অপরাজিত ১৩৪ রানের ইনিংসটি বিশ্বকাপে নিজের প্রিয় স্মৃতি হিসেবে দেখেন ক্রাইস্টচার্চে জন্ম নেয়া ফ্লেমিং।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: