যশোর ও ঝিনাইদহ মুক্ত দিবস আজ

২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়া পর খেকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পর্যন্ত সময়ে শহীদ হয় লাখ লাখ বীর বাঙালি। একাত্তরের ৬ ডিসেম্বর দেশের বিভিন্ন প্রান্...

২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়া পর খেকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পর্যন্ত সময়ে শহীদ হয় লাখ লাখ বীর বাঙালি। একাত্তরের ৬ ডিসেম্বর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধে হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের খবর আসতে থাকে। ডিসেম্বরের এদিন দখলদার মুক্ত হয় যশোর, ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা।

যশোর মুক্ত দিবস আজ:
আজ ৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনেই যশোর জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল। এদিন বিকালে যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী। প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা। যশোরেই প্রথম উঠেছিল বিজয়ী বাংলাদেশের পতাকা।

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স-মুজিব বাহিনীর (বিএলএফ) বৃহত্তর যশোর জেলার (যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও নড়াইল) উপ-অধিনায়ক রবিউল আলম জানান, ’৭১ সালের ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়।

এ সময় মিত্রবাহিনীও সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর সেনানিবাসসহ পাক আর্মিদের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা ও গোলা নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে পর্যুদস্তু পাক বাহিনী ৫ ডিসেম্বর থেকে পলায়ন শুরু করে। তারা ছিন্নভিন্ন হয়ে খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে। পলায়নকালে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর শহরতলীর রাজারহাটসহ বিভিন্ন স্থানে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে তাদের প্রচণ্ড লড়াই হয়।

৬ ডিসেম্বর বিকালের আগে যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় হানাদাররা। বিকালে মিত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তি বাহিনী সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ঢল নামে শহরে। পাড়া মহল্লায়ও চলে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল। মুক্তির আনন্দে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে ফেটে পড়ে গোটা জেলার মানুষ।

ঝিকরগাছা (যশোর):
মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর প্রতিরোধের মুখে ১৯৭১ সালে এ দিনে ঝিকরগাছা মুক্ত হয়। মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় এ দিন পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে প্রথম ঝিকরগাছার মাটিতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো হয়। ৫ ডিসেম্বর নিশ্চিত পরাজয় ভেবে পাক হানাদার বাহিনী পিছু হটতে শুরু করে। বীর শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ সদস্য আবুল ইসলাম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম মোত্বাছিম বিল্লাহর নেতৃত্বে একদল মুক্তিবাহিনী ও মুজিব বাহিনী ঝিকরগাছাকে আনুষ্ঠানিকভাবে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেন।

চৌগাছা (যশোর):
১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাকহানাদার বাহিনীকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে সমগ্র চৌগাছা এলাকা মুক্ত করেছিল। মুক্তিযোদ্ধারা চৌগাছা ইউনিয়ন সম্পূর্ণভাবে হানাদার মুক্ত করে ২১ নভেম্বর সকালে চৌগাছা কালীতলায় বাংলাদেশের প্রথম বিজয় পতাকা উত্তোলন করে। এ জন্য চৌগাছাকে স্বাধীনতার প্রবেশদ্বার বলা হয়।

চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর ১০-১৫টি সম্মুখ যুদ্ধ হয়। স্বাধীনতার ৪৩ বছর পার হলেও উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের গণকবরগুলো আজো সংরক্ষণ করা হয়নি। দিবসটি পালন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদে ও চৌগাছা প্রেসক্লাব নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এদিকে আজ যশোর মুক্ত দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন সকালে টাউন হল মাঠ থেকে র‌্যালী শুরু হবে। পরে সেটি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি মুর্যাল ঘুরে বিজয় স্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শেষ হবে।

ঝিনাইদহসহ বিভিন্ন স্থান মুক্ত দিবস আজ:

ঝিনাইদহ, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, যশোরের ঝিকরগাছা, চাঁদপুরের কচুয়াসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা ১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্ত হয়। এ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন, আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা ও দোয়া মোনাজাতসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

ঝিনাইদহ:
১৯৭১ সালে এ দিনে ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত হয়। ঝিনাইদহে বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়। প্রথম দিকে মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার হাতে পাক বাহিনীর শোচনীয় পরাজয় হয়। পরাজয়ের বদলা নিতে পাক বাহিনী মরিয়া হয়ে উঠে। ১ এপ্রিল যশোর সেনা নিবাস থেকে পাক বাহিনী ঝিনাইদহ দখল নিতে আসে। মুক্তিযোদ্ধারা বিষয়খালিতে তাদের রুখে দেয়। ফিরে যায় যশোর সেনা নিবাসে। ১৪ এপ্রিল ফের তারা ঝিনাইদহ দখল নিতে আসে। বিষয়খালিতে বাধা দেয় মুক্তিযোদ্ধারা। সারাদিন তুমুল যুদ্ধ হয়। ভারি অস্ত্রের মুখে বিকালে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটে যান।

এরপর পাক বাহিনী ঝিনাইদহ দখলে নেয়। ৫ ডিসেম্বর বিকালে মিত্র ও মুক্তি বাহিনী ঝিনাইদহ শহরের চারিদিকে অবস্থান নেয়। ৬ ডিসেম্বর সকালে পাক সেনাদের ঘাঁটি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ লক্ষ্য করে গোলা বর্ষণ শুরু করে। পাক সেনারা মাগুরার দিকে পালিয়ে যায়। মুক্ত হয় ঝিনাইদহ।

মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
আজ মহেশপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্তি বাহিনীরা পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে মহেশপুরকে মুক্ত করেছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধারা। ওই দিন দত্তনগর পাকস্তানি বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপক যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনী পিছু হটেন।
মহেশপুর উপজেলা কমান্ডার আব্দুল মালেক গাজী জানান, ওই দিন মহেশপুরে দত্তনগর, ঘুগরি, যাদবপুর নাটিমা, জাগুসায় ও পৌর এলাকায় তুমুল যুদ্ধ হয় এবং পাক হানাদার বাহিনীরা পিছু হটতে হটতে কোট চাঁদপুর হয়ে ঝিনাইদহের দিকে চলে যান। তখন মুক্তিযোদ্ধা বিজয় উল্লাস করে স্বাধীনতা পতাকা উত্তোলন করে দেয়। ওই যুদ্ধে মেজর মঞ্জুর নেতৃত্বে বীর মাহতাব, এফ আর চৌধরী, আবু তালেবসহ অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেয়।

দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর)
১৯৭১ সালের এ দিনে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় পাকসেনারা দ্বিতীয় দফা পরাজিত হলে এলাকা শত্রুমুক্ত হয়। প্রথম দফায় শত্রুমুক্ত হয় তত্কালিন দেওয়ানগঞ্জ থানাধীন বকসিগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর। দ্বিতীয় দফা শত্রুমুক্ত হয় দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সদর। ৫ ডিসেম্বর উইংকমান্ডার হামিদুল্লাহ খানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের নাসির কোম্পানির বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেওয়ানগঞ্জ সদরে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

দিনরাত সম্মুখ যুদ্ধে প্রাণপণ লড়াই করে অবশেষে ৬ ডিসেম্বর শত্রু মুক্ত হয়। পরে মুক্তিযুদ্ধের নাসির কোম্পানীর কোম্পানী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম বিজয়ী পতাকা উত্তোলন করেন।

ছাতক (সুনামগঞ্জ):
১৯৭১ সালের এ দিনে ছাতক শহর শত্রুমুক্ত হয়। ৫ ডিসেম্বর ছাতকের সুরমা নদীর উত্তর পাড় নোয়ারাই ইউনিয়নের জয়নগর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা শক্তিশালী অবস্থান নেয়। এ সময় পাক-হানাদার বাহিনীর অবস্থান ছিল ছাতক সিমেন্ট কারখানায়।

মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ওই দিন রাতেই কারখানা এলাকা ছেড়ে নদীপাড়ি দিয়ে ছাতক শহরে চলে যায় হানাদার বাহিনী। প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর ছাতক মুক্ত দিবস পালন করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। আজও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

কচুয়া (চাঁদপুর):
আজ কচুয়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে কচুয়া শত্রুমুক্ত হয়। ৫ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর অত্যাচার, হত্যা, লুণ্ঠন এবং জ্বালাও পোড়াও আতংকে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে। প্রতি বছর ৫ ডিসেম্বর সেদিনের লোমহর্ষক স্মৃতি কচুয়াবাসীর হূদয়কে দারুণভাবে নাড়িয়ে তোলে। মানসপটে ভেসে ওঠে ৭১’র পাকবাহিনীর নানা নির্মম অত্যাচারের কাহিনী। থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মমিন নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিলে পাকবাহিনী ৬ ডিসেম্বর দ্রুত কচুয়া থেকে ঢাকা অভিমুখে পালিয়ে যায়।

বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর):
আজ বোচাগঞ্জ উপজেলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে বোচাগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে শত্রুমুক্ত করেছিল বোচাগঞ্জের মাটি। মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী তত্কালীন তাজউদ্দীন সরকারের বিশেষ দূত, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জননেতা মরহুম আব্দুর রৌফ চৌধুরী ও বিশিষ্ট রাজনীতিক মাওলানা ভাসানীর ঘনিষ্ঠ সহচর মরহুম আনোয়ারুল হক চৌধুরী নবাব। যুদ্ধে ধনতলা গ্রামের আবুল বারেক ও এনামুল হক, দেব শর্ম্মা, কাশেম আলী, গুলিয়া বাংরু, বের্যমোহন রায় মুক্তিযোদ্ধাসহ মোট ১৩ জন শহীদ হন।

বোচাগঞ্জ মুক্ত দিবস পালনে ১০ দিনব্যাপী বিজয় মেলার আয়োজনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ সব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি।

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার):
১৯৭১ সালের এ দিনে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হয়। ৩ নভেম্বর ১৯৭১ হানাদার বাহিনী কুলাউড়া শহর সংলগ্ন পোসাইনগর গ্রাম থেকে এক রাতে উপেন্দ্র ঘোষ, নরেশ ঘোষ, হরেন্দ্র মালাকার,তমছির আলী, সুরেশ দেব, চিত্ত দাস, ধিরাইদাস, শনি ঘোষ, নিখিল ঘোষ, দীগেন্দ্র দাস, মহেন্দ্র শুক্লবৈদ্য, অনিল দাস, মহেন্দ্রদাস ও নিবারণ দেবকে ধরে নিয়ে কুলাউড়ার রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি গর্ত করে ১৪ জনকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করে। সেই ঐতিহাসিক বধ্যভূমিটি আজ ও কালের সাক্ষী হয়ে গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে।

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা):
১৯৭১ সালের এ দিনে নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুরকে মুক্ত করে। এ দিবসটিকে সামনে রেখে আজ উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, স্থানীয় সুধীজন, স্কুল-কলেজের শিক্ষক/শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে স্থানীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বর্ণাঢ্যে র‌্যালী ও উপজেলা চত্বরে আলোচনা সভার আয়োজন হয়েছে।

COMMENTS

Mountain View
নাম

অপরাধ বার্তা অভয়নগর অর্থনীতি আন্তর্জাতিক ইতিহাস/মুক্তিযুদ্ধ ইলেক্ট্রনিক্স ইসলাম ঐতিহ্য ঐতিহ্য/সংস্কৃতি কলাম কৃষি কৃষি বার্তা কেশবপুর খেলাধুলা গ্যালারী চাকরির খবর চাকুরী চুয়াডাঙ্গা চৌগাছা জাতীয় ঝিকরগাছা ঝিনাইদহ টিপস তথ্য প্রযুক্তি দর্শনীয় স্থান নড়াইল নিবন্ধ পরিবেশ প্রকৃতি/পরিবেশ প্রতিবেদন প্রবাস প্রশাসন ফেসবুক বাঘারপাড়া বিনোদন বিশেষ খবর বেনাপোল ব্যক্তিত্ব ব্যবসা/বানিজ্য ব্রেকিং নিউজ ভর্তি পরীক্ষা ভিডিও ভ্রমন মনিরামপুর মাগুরা মুক্তিযুদ্ধ যশোর যশোর সদর রাজনীতি রান্না লাইফ স্টাইল শার্শা শিক্ষাঙ্গন সংবাদ সংস্কৃতি সম্পাদকীয় সর্বশেষ সাফল্য সারাদেশ সাহিত্য সিনেমা স্বাস্থ্য Breaking Feature Greater Jessore Tips
false
ltr
item
যশোর নিউজ ২৪: Jessore News 24:: যশোর ও ঝিনাইদহ মুক্ত দিবস আজ
যশোর ও ঝিনাইদহ মুক্ত দিবস আজ
http://4.bp.blogspot.com/-DXNf2aglSQ4/VIKnVgVKsmI/AAAAAAAAGz4/cGPFlZXcL7U/s1600/Jessore-Monument-pic.jpg
http://4.bp.blogspot.com/-DXNf2aglSQ4/VIKnVgVKsmI/AAAAAAAAGz4/cGPFlZXcL7U/s72-c/Jessore-Monument-pic.jpg
যশোর নিউজ ২৪: Jessore News 24:
http://www.jessorenews24.com/2014/12/blog-post_6.html
http://www.jessorenews24.com/
http://www.jessorenews24.com/
http://www.jessorenews24.com/2014/12/blog-post_6.html
true
286737489812364167
UTF-8
Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy