২ এপ্রিল, ২০২১

সাংবাদিক মানিকের পিতার মৃত্যুতে শোক

সাংবাদিক মানিকের পিতার মৃত্যুতে শোক




 প্রেসক্লাব যশোরের সদস্য ও বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের যশোর জেলা শাখার সহ সহসভাপতি এম এ মানিকের পিতা আমিন উল্লাহ (৮৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন।তার মৃত্যুতে শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন ও সম্পাদক আহসান কবীর। এক বিবৃতিতে নেতৃৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।জেইউজের সভাপতি ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সহসভাপতি প্রদীপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক এইচ আর তুহিন, যুগ্ম সম্পাদক তবিবর রহমান, কোষাধ্যক্ষ স্বপ্না দেবনাথ, সদস্য ডিএইচ দিলশান ও রিপন হোসেন। নেতৃৃবৃন্দ মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।

এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি এম আইউব, সহসভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক এসএম ফরহাদ, দপ্তর সম্পাদক মীর কামরুজ্জামান মনি, কোষাধ্যক্ষ এম এ আর মশিউর, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাজী রফিকুল ইসলাম ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হানিফ ডাকুয়া মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনাসহ তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

যশোর পৌরসভা নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

যশোর পৌরসভা নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

 



যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ৩২ হাজার ৯৪০ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হায়দার গণি খান পলাশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মাদ আলী সরদার হাতপাখা পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৪৭ ভোট।


নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর পৌরসভার নির্বাচনে ৩৬ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং অফিসার হুমায়ুন কবীর এ ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। জেলা রিটানিং অফিসার হুমায়ন কবীর এ তথ্য জানান।

নির্বাচন থেকে আগেই সরে দাঁড়ানো বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক মারুফুল ইসলাম মারুফ পেয়েছেন ৭ হাজার ৩০২ ভোট।

এদিকে কাউন্সিলর পদে এক নম্বর ওয়ার্ডে সাইদুর রহমান রিপন পাঁচ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর আহমেদ শাকিল পেয়েছেন এক হাজার ৮৪৬ ভোট।
দুই নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে রাশেদ আব্বাস রাজ দুই হাজার ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি শেখ সালাউদ্দিন পেয়েছেন এক হাজার ১৪৮ ভোট।
তিন নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে মোকসিমুল বারী অপু এক হাজার ৬৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সাব্বির মালিক পেয়েছেন ৯৫৯ ভোট।
চার নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে টাক মিলন তিন হাজার ৫৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তা পেয়েছেন দুই হাজার ৪৬৫ ভোট।
পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে রাজিবুল আলম দুই হাজার ৭৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হাফিজুর রহমান পেয়েছেন এক হাজার ৭৩৬ ভোট।
ছয় নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আলমগীর কবীর সুমন ওরফে হাজি সুমন দুই হাজার ৪৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজাহার হোসেন স্বপন পেয়েছেন একই হাজার ৫২৭ ভোট।
সাত নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে শাহেদ হোসেন নয়ন ওরফে হিটার নয়ন এক হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুলফিকার আলী পেয়েছেন এক হাজার ৫৪৬ ভোট।
আট নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রদীপ কুমার বাবলু দুই হাজার ১১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সন্তোষ দত্ত পেয়েছেন এক হাজার ১৫১ ভোট।
নয় নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে মো: আসাদুজ্জামান দুই হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আজিজুল ইসলাম পেয়েছেন দুই হাজার ২৮৬ ভোট।

এছাড়া সংরক্ষিত এক নম্বর ওয়ার্ডে আইরিন পারভীন ডেইজি চার হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আয়েশা সিদ্দিকা পেয়েছেন দুই হাজার ৫৪১ ভোট। সংরক্ষিত দুই নম্বর ওয়ার্ডে নাসিমা আক্তার জলি ১৪ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি নাছিমা সুলতানা পেয়েছেন তিন হাজার ১৮৫ ভোট।

সংরক্ষিত তিন নম্বর ওয়ার্ডে শেখ রোকেয়া পারভীন ডলি ১০ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সালমা আক্তার বানী পেয়েছেন সাত হাজার ৯০৭ ভোট।
ব্রিটিশ ভারতের দ্বিতীয় পৌরসভা যশোর পৌরসভায় এবার প্রথম ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হয়। পৌরসভার ৫৫টি কেন্দ্রে ও ৪৭৯ টি বুথে এ ভোট গ্রহণ করা হয়। মেয়র পদে তিনজন, কাউন্সিলর পদে ৪৭ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রতিদন্দ্বিতা করেন। যশোর পৌরসভায় মোট এক লাখ ৪৬ হাজার ৫৯২ জন ভোটার । এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭২ হাজার ৪৫ জন ও নারী ভোটর ৭৪ হাজার ৫৪৯ জন।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর পৌরসভার নির্বাচনে ৩৬ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং অফিসার হুমায়ুন কবীর এ ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতালে আফসানা মিমি

হাসপাতালে আফসানা মিমি

 




করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও পরিচালক আফসানা মিমি। শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপ থাকায় তাকে গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিমির সহযোগী নির্মাতা নজরুল সৈয়দ। যুগান্তরকে তিনি জানিয়েছেন, ‘গত সপ্তাহ থেকে আফসানা মিমির শরীর অসুস্থ ছিল।

এরপর করোনার লক্ষণ দেখা দিলে নমুনা পরীক্ষা করে ফলাফল পজিটিভ আসে। তখন থেকেই তিনি নিজ বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গতকাল তাকে হাপসাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।’ তবে কাশি ছাড়া বর্তমানে আর কোনো বিশেষ সমস্যা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

উত্তাল মিয়ানমার, সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে ৪৩ শিশু নিহত

উত্তাল মিয়ানমার, সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে ৪৩ শিশু নিহত

 



মিয়ানমারে সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৪৩ শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সেফ দ্য চিলড্রেন। বৃহস্পতিবার সংস্থাটি জানিয়েছে, মিয়ানমারে দুঃস্বপ্নের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিহতদের মধ্যে সাত বছরের শিশুটিই সবচেয়ে কম বয়সী।

গত পহেলা ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। দেশটিতে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে এ পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সশস্ত্র বাহিনী অহরহ সড়কে গুলি চালিয়ে মানুষদের হত্যা করেছে। এমনকি কিছু কিছু মানুষকে বাড়িতে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত সাত বছরের খিন মায়ো চিতের পরিবার বিবিসিকে জানিয়েছে, বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় খিন যখন তার বাবার কোলে ছুটে যাচ্ছিল তখনই নিরাপত্তা বাহিনী গুলি করে। এর কিছুক্ষণ পর মারা যায় শিশুটি। মান্ডালেতে বাড়ির ভেতরে অবস্থানের সময় গুলিতে নিহত হয় ১৪ বছরের আরেক শিশু। এছাড়া ইয়াঙ্গুনে সড়কে খেলার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয় ১৩ বছরের আরেক শিশু।

সেভ দ্য চিলড্রেন সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘাত চলাকালে বিপুল সংখ্যক শিশু আহত হয়েছে। 

উত্তরা ব্যাংকের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

উত্তরা ব্যাংকের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা




 পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান উত্তরা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটি বোর্ড সভা করবে।

বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ওই দিন বিকেল ৩টায় কোম্পানিটির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।

ব্যাংকে অর্ধেক জনশক্তি নয়,রোস্টারের মাধ্যমে সেবা দেয়া উচিত

ব্যাংকে অর্ধেক জনশক্তি নয়,রোস্টারের মাধ্যমে সেবা দেয়া উচিত

 



করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনে ৫০ শতাংশ কর্মী বা ব্যাংকগুলোর জনবলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আগামী দুই সপ্তাহ এ নির্দেশনা পরিপালন করতে বলা হয়েছে। বুধবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে ব্যাংকের করণীয় বিষয়ে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ১৮ দফার মধ্যে প্রজ্ঞাপনে (ক), (চ), (ড), (ণ) এবং (দ) যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। পাশাপাশি ‘ঢ’ ক্রমিকে বর্ণিত সিদ্ধান্ত পরিপালনের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ এর বিদ্যমান পরিস্থিতিকে বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন করে জনবলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

অর্থাৎ জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব সরকারি-বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান শিল্প কারখানাগুলো ৫০ ভাগ জনবল দিয়ে পরিচালনা করতে হবে। গর্ভবতী, অসুস্থ, ৫৫ বছরের বেশি বয়সী কর্মকর্তা/কর্মচারীর বাড়িতে অবস্থান করে কর্মসম্পাদনের ব্যবস্থা নিতে হবে। সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা যথাসম্ভব অনলাইনে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

কিন্তু অর্ধেক জনশক্তি দিয়ে ব্যাংকের স্বাভাবিক কাজকর্ম চলা সম্ভব নয় বলে মনে করেন ব্যাংকাররা। সরকারের নির্দেশনা মানতে শুরু করতে পারেনি অনেকেই। নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি খোদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ও।  

গত বছর লকডাউন ও সরকারী অফিস বন্ধ চলাকালীন সময়েও সীমিত সময়ে জন্য ব্যাংকিং কর্যক্রম চালু ছিল। তখনো ব্যাংকে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে করোনা বৃদ্ধি পেলেও ব্যবসা বাণিজ্য সহ সব ধরনের কার্যক্রম স্বাভাবিকবাবে চলছে। ফলে হঠাৎ করেই ব্যাংকিং সেবায় জনশক্তি ৫০ শতাংশ হ্রাস করা হলে গ্রাহকদের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। এমনকি সময়মত ও কাঙ্খিত সেবা দেয়া সম্ভব না হলে ব্যাংক-গ্রাহকের মধ্যে সম্পর্ক অবনতিও ঘটার আশংকা করা হচ্ছে।

এ অস্থায় রোস্টার করে অর্থাৎ ব্যাংকের অর্ধেক কর্মকর্তা বাসায় থেকে বাকী অর্ধেক কর্মকর্তা অফিসে এসে কাজ করতে পারেন। এ প্রসঙ্গে ব্যাংকের এমডিদের সংগঠন এবিবি'র সাবেক চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, কিছু ব্যাংক ইতোমধ্যেই রোস্টার করে ডিউটি করছে। তবে আগামী রবিবার থেকে সব ব্যাংকের অর্ধেক কর্মকর্তা হোম অফিসের সুযোগ পাবেন।

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ ও অবস্থানকালীন সময় বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে গত ২৯ মার্চ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার নতুন করে ১৮ দফা নির্দেশনা দেয়। এর মধ্যে ছয়টি নির্দেশনা পরিপালন করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে বিদ্যমান পরিস্থিতিকে বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন করে জনবলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

গর্ভবতী, অসুস্থ, ৫৫ বছরের বেশি বয়সী কর্মকর্তা/কর্মচারীর বাড়িতে অবস্থান করে কর্মসম্পাদনের ব্যবস্থা নিতে হবে। সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা যথাসম্ভব অনলাইনে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে।কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

ব্যাংকগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করে ব্যাংকিং সেবা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে সক্ষম হবে বলে আমরা আমা করি।